কামাল আতাতুর্কের জন্ম শহরে একদিন

0

মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক । আজকে বিশ্ব মানচিত্রে তুরস্ক নামের যে দেশটি রয়েছে, সেটি কস্মিনকালেও তাঁর অস্তিত্ব বজায় রাখতে পারতো না যদি তুর্কি জাতির ত্রাণকর্তা হিসেবে তার আবির্ভুত না হতো। তিনি ১৯২৩ সালে প্রতিষ্ঠিত আধুনিক তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের স্থপতি। পৃথিবীর ইতিহাসে এখন পর্যন্ত যে দুইজন জাতির পিতা নিজ মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য সশস্ত্র যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন তাদের একজন মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক, অন্যজন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার রূপকার জর্জ ওয়াশিংটন।

তবে মজার ব্যাপার হচ্ছে কামাল আতাতুর্ক তুরস্কের নায়ক হলেও জন্মসূত্রে তিনি ছিলেন গ্রিক। ১৮৮১ সালে গ্রিসের থেসালুনিকি শহরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। থেসালুনিকির যে বাসভবনে মোস্তফা কামালের জন্ম হয়েছিলো সেটি বর্তমানে তুরস্কের কনস্যুলেট ভবন এবং একই সাথে একটি যাদুঘর, অতীত ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্বাক্ষী।

করোনাকালের বন্ধে আতাতুর্কের জন্মস্থান থেসালুনিকি শহর ভ্রমনের সুযোগ হয়েছিল আমার। অতীত ইতিহাস ও ঐতিহ্যের শহরটি দেখার অভিজ্ঞতা তুলে ধরছি আমার এই ভ্রমণগল্পে। বলে রাখা ভাল থেসালুনিকি আমাদের চোখে হয়তোবা বিশেষায়িত রূপে সেভাবে ধরা দিবে না যদি না আমরা ইতিহাস ও ঐতিহ্যগত দিক থেকে একে পর্যালোচনা করার চেষ্টা না করি।

এথেন্সের পর থেসালুনিকি হচ্ছে গ্রিসের বৃহত্তম নগরী এবং একই সাথে অন্যতম প্রসিদ্ধ বন্দরনগরী। দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের ইতিহাসে বিরোধপূর্ণ শহর হিসেবে এর পরিচিত বেশি। যদিও ১৯২৩ সালে স্বাক্ষরিত লুজান চুক্তির ফলে থেসালুনিকিসহ পুরো পশ্চিম থ্রেসের ওপর গ্রিসের মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কিন্তু আদৌতে শহরটি আজও গ্রিস, তুরস্ক, মেসিডোনিয়া ও বুলগেরিয়ার বিবাদের কারণ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

থেসালুনিকি এক সময় ইউরোপের সাংস্কৃতিক রাজধানী হিসেবেও পরিচিত ছিলো। গ্রিক, তুর্কি এবং বুলগেরিয়ান-তিনটি ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর মানুষের বাস ছিল এ শহরে। পাশপাশি আর্মেনিয়ান বংশোদ্ভূত অনেক মানুষও এখানে বসতি করেছিলো। শহরের অধিবাসীরা অর্থোডক্স খ্রিস্টান, ইসলাম ও ইয়াহুদি ধর্মে বিভক্ত ছিলো। এক সাথে এতোগুলো ভিন্ন জাতি ও ভিন্ন ধর্মালম্বী মানুষের সহাবস্থান সে সময় ইউরোপে খুব কম শহরে দেখা যেতো। লুজান চুক্তির ফলে থেসালুনিকিতে অবস্থান করা মুসলিম জনগোষ্ঠীকে শহর ছাড়তে বাধ্য করা হয়। ধীরে ধীরে ইয়াহুদিরাও এ শহর ছেড়ে চলে যান। এমনকি স্লাভিক জাতিগোষ্ঠীও পার্শ্ববর্তী রাষ্ট্র বুলগেরিয়া কিংবা মেসিডোনিয়াতে চলে যান।

আধুনিক তুরস্কের স্থপতি মোস্তফা কামাল আতাতুর্কের জন্ম শহর থেসালুনিকিতে তার বাসভবনটি এখন তুরস্কের কনস্যুলেট
আধুনিক তুরস্কের স্থপতি মোস্তফা কামাল আতাতুর্কের জন্ম শহর থেসালুনিকিতে তার বাসভবনটি এখন তুরস্কের কনস্যুলেট

বর্তমান সময়ে থেসালুনিকির দিকে তাকালে কেবলমাত্র এক রুগ্ন প্রতিমূর্তির ছবি আমাদের সকলের চোখের সামনে ভেসে উঠে। বলকান অঞ্চলের অন্যান্য শহরের মতো থেসালুনিকিও অবকাঠামোগত দিক থেকে বেশ পিছিয়ে। তাই বিশ্বাসই করা যায় না আদৌতে থেসালুনিকি কী ইউরোপ মহাদেশের কোনও শহর? না কি এর অবস্থান তৃতীয় বিশ্বের কোনও দেশে। রাস্তা-ঘাট তেমন একটা প্রশস্ত নয়। শহরের বেশিরভাগ দালালকোঠা বেশ পুরাতন। পরিচ্ছন্নতার বিষয়ে স্থানীয় জনসাধারণেরও তেমন একটা সচেতনতা নেইহ, এমনকি আইন মেনে চলার ব্যাপারেও যে তারা যথেষ্ট সচেষ্ট সেটি বলার সুযোগ নেই। ঢাকা শহরের মতো থেসালুনিকিতেও মানুষজনকে ফুটপাতের ওপর মোটর সাইকেল চালাতে দেখা যায়। হরহামেশা যেখানে সেখানে স্থানীয় অধিবাসীরা গাড়ি পার্ক করে রাখেন ফলে যানজট শহরটির অন্যতম প্রধান সমস্যা।

থেসালুনিকির সিটি সেন্টারের মূল চত্বরটি “অ্যারিস্টোটেলাস স্কয়ার” নামে পরিচিত। ১৯১৮ সালে বিখ্যাত ফরাসি স্থপতি ও নগর পরিকল্পনাবিদ আর্নেস্ট হাবরার্ড স্কয়ারটির নকশা প্রণয়ন করেন। যদিও তাঁর প্রণীত নকশায় পুরো অ্যারিস্টোটেলাস স্কয়ারকে আজকের রূপ দিতে পঞ্চাশের দশক পর্যন্ত সময় লেগে যায়। ১৯১৭ সালের দিকে এক ভয়াবহ আগুনে শহরটির মারাত্মক ক্ষতি হয়েছিল। ৩২ ঘণ্টা স্থায়ী আগুনে সাড়ে নয় হাজারের মতো ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়। থেসালুনিকির ইয়াহুদিদের একটা বড় অংশের স্থানচ্যুতির কারণ হিসেবে এ ঘটনাকে দায়ী করা হয়। ১৯১৭ সালের এ ভয়াবহ আগুনের ঘটনার পর গ্রিস সরকার থেসালুনিকিকে ঢেলে সাজানোর পরিকল্পনা নেয়। ডাক পড়ে আর্নেস্ট হাবরার্ডের। ২০০০ সালের পর আরও একবার অ্যারিস্টোটেলাস স্কয়ারকে সংস্কার করা হয়।

থেসালুনিকির অন্যান্য অংশের তুলনায় এ অংশটি অপেক্ষাকৃতভাবে নতুন। পুরো শহরের মধ্যে বলতে গেলে কেবল এ অংশেই চাকচিক্যময় দালানের দেখা মিলে। পুরো শহরটি একবার ঘুরে আসার পর যখন কেউ এ অ্যারিস্টোটেলাস স্কয়ারে এসে দাঁড়ালে হয়তোবা মনে হবে আশেপাশের শহরতলী থেকে জোঁকের মতো রক্ত শোষণ করে এ অংশটি ফুলেফেঁপে এ রকম জৌলুসতা অর্জন করেছে। অ্যারিস্টোটেলাস স্কয়ার থেকে উত্তর-পশ্চিম বরাবর এজিয়ান সাগরের তীর ঘেঁষে কয়েকশো মিটার হাঁটার পর চোখে পড়বে হোয়াইট টাওয়ার।

পর্যটকদের জন্য থেসালুনিকির মূল আকর্ষণ হচ্ছে হোয়াইট টাওয়ার অব থেসালুনিকি। এটি শহরের ল্যান্ডমার্ক হিসেবে পরিচিত। বাইজেনটাইন শাসন আমলে এ টাওয়ারের স্থানে একটি দুর্গ ছিল। মূলত সে সময় স্থানীয়ভাবে প্রতিরক্ষার কাজে দুর্গটি ব্যবহার করা হতো। ১৪৩০ সালে সুলতান দ্বিতীয় মুরাদের নেতৃত্বে অটোমানরা থেসালুনিকি জয়ের পন দুর্গটিকে কিছুটা সংস্কার করে লাল রঙের টাওয়ারের আকৃতি দেওয়া হয়। তখন মূলত একটি কারাগার হিসেবে টাওয়ারটিকে ব্যবহার করা হতো। এখানে অনেক আসামীর মৃত্যুদণ্ডের সাজা কার্যকর করা হতো । ১৯১২ সালে প্রথম বলকান যুদ্ধের পর টাওয়ারের রঙ লাল থেকে সাদা করা হয়। তখন থেকেই হোয়াইট টাওয়ার নামে পরিচিত। বর্তমানে টাওয়ারটি একটি মিউজিয়াম এবং একই সাথে আর্ট গ্যালারি। প্রবেশ করতে লাগে ছয় ইউরো।

হোয়াইট টাওয়ার থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে কয়েক গজ হাঁটলে চোখে পড়বে আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেটের স্মরণে নির্মিত ভাস্কর্য। গ্রিস থেকে শুরু করে উত্তর-পশ্চিম ভারত এমনকি উত্তর-পূর্ব আফ্রিকা পর্যন্ত এক সুবিশাল সাম্রাজ্যের অধিপতি ছিলেন আলেকজান্ডার দ্যা গ্রেট।

থেসালুনিকির আরও একটি পর্যটন নিদর্শন হচ্ছে রটোন্ডা। এক ধরণের বেলনাকৃতি স্থাপনা যেটি আনুমানিক ৩০৬ খ্রিস্টাব্দে নির্মিত হয়েছিলো। এটি মূলত একটি রোমান স্থাপনা। প্রথমে সমাধি হিসেবে স্থাপনাটি নির্মিত হলেও পরর ধর্মীয় উপাসনালয় হিসেবে ব্যবহার হতো। বাইজেন্টাইন সম্রাট প্রথম কন্সটান্টিন একে অর্থোডক্স চার্চে রূপান্তর করে।

রটোন্ডা থেকে সিটি সেন্টার বরাবর দেড়-দু মিনিট হাঁটার পর ডান দিকে লক্ষ্য করলে চোখের সামনে একটি তোরণ ভেসে উঠবে। এ তোরণটি “আর্ক অব গ্যালারিয়াস” নামে পরিচিতি। মূলত চতুর্থ শতাব্দীতে যখন থেসালুনিকি রোমানদের অধীনে আসে তখন তাঁরা বিজয়কে স্মরণ করতে তোরণটি নির্মাণ করে। যেহেতু থেসালুনিকি এক সময় রোমান শাসনেরও অধীনে ছিল তাই শহরটির বিভিন্ন স্থানে রোমান শাসনামলের বিভিন্ন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন খুঁজে পাওয়া যায়। থেসালুনিকির অন্যান্য আকর্ষণের মধ্যে রয়েছে জিউস মিউজিয়াম এবং বাইজেন্টাইন মিউজিয়ামসহ বেশ কিছু যাদুঘর ও অর্থোডক্স গির্জা।

আধুনিক তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের স্থপতি মোস্তফা কামাল আতাতুর্কের জন্ম শহর গ্রিসের থেসালুনিকিতে চতুর্থ শতাব্দীর তোরণ “আর্ক অব গ্যালারিয়াস”
আধুনিক তুরস্ক প্রজাতন্ত্রের স্থপতি মোস্তফা কামাল আতাতুর্কের জন্ম শহর গ্রিসের থেসালুনিকিতে চতুর্থ শতাব্দীর তোরণ “আর্ক অব গ্যালারিয়াস”

গ্রিক খাবারের জনপ্রিয়তা গোটা দুনিয়াব্যাপী। আর কেউ যদি গ্রিক খাবারের আসল স্বাদ নিতে চান তাহলে তাঁকে থেসালুনিকিতে আসতে হবে। বাংলাদেশে খাবারের জন্য পুরাতন ঢাকার যেমন আলাদা সুনাম আছে, গ্রিসসহ গোটা ইউরোপে থেসালুনিকির রন্ধনশৈলীর আলাদা কদর রয়েছে। গ্রিসের জনপ্রিয় দুইটি খাবার গাইরো এবং সুভলাকির জন্য বিখ্যাত থেসালুনিকি।

থেসালুনিকির সিটি সেন্টারের কাছে একটি ফাস্টফুড শপে আমি সুভলাকি খেয়েছিলাম। বলতে পারি স্বাদে এখন পর্যন্ত সেরা ফাস্টফুড আইটেম ছিল। সুভলাকির সাথে আমাদের দেশের অন্যতম জনপ্রিয় ফাস্টফুড আইটেম শর্মার কিছুটা মিল পাওয়া যায়। তবে আমাদের পরিচিত রুটির পরিবর্তে পিটা নাম এক বিশেষ ধরণের ব্রেড এবং ফ্রেঞ্চ ফ্রাই ও বিভিন্ন ধরণের সালাদ এবং এক ধরণের বিশেষ সস সহযোগে তৈরি হয় সুভলাকি। সুভলাকি এবং গাইরোর মাঝে একমাত্র পার্থক্য হচ্ছে সুভলাকিতে কাবারের ন্যায় মাংসকে আগের থেকে ঝলসিয়ে নিতে হয়, অন্যদিকে অনেকটা শর্মার আদলে গাইরোতে ব্যবহৃত মাংসকে প্রক্রিয়াজাত করা হয়।

শপের তরুণী কর্মী জানান, থেসালুনিকির সুভলাকি একেবারে আলাদা এবং স্বাদের দিক থেকে সেরা। বিশ্ব পর্যটকের অনেকে সুভলাকির লোভেই নাকি থেসালুনিকিতে আসেন। যেহেতু সুদীর্ঘকাল গ্রিস অটোমান শাসনের অধীনে ছিলো তাই গ্রিসের সাধারণ মানুষের খাদ্যাভ্যাস থেকে শুরু করে দৈনন্দিন সংস্কৃতিতে অটোমানদের প্রভাব লক্ষণীয় যদিও দুই দেশের মধ্যে সাপে নেউলে সম্পর্ক অনেকদিন।

আফসোস রয়ে গেল, যাদুঘরে রূপান্তরিত করা মোস্তফা কামাল আতাতুর্কের বাসভবন দেখার সুযোগ না পাওয়ায়। করোনা পরিস্থিতিএবং এ মুহূর্তে গ্রিসের সাথে তুরস্কের উত্তেজনার কারণে আমাদেরকে সেখানে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয় নি। পুরো ভবনের সামনে সার্বক্ষণিক পাহারায় রয়েছে স্পেশাল পুলিশ ফোর্স ।

পুরো থেসালুনিকি ভ্রমণে আমাকে সঙ্গ দিয়েছিলেন প্রবাসী বাংলাদেশি সিলেটের মনিউর রহমান সুমন ভাই। প্রায় তেরো বছর এ শহরে আছেন। প্রবাসী বাংলাদেশিদের বিষয়ে তিনি জানান, রাজধানী এথেন্সের তুলনায় থেসালুনিকিতে জীবন-যাত্রা অনেকটা সহজ। এছাড়াও এথেন্সে প্রবাসী বাংলাদেশি প্রায়শ পাকিস্তানি, আফগানি কিংবা আরবদের দ্বারা হামলার শিকার হন। থেসালুনিকিতে এ সমস্যা খুব তেমন নেই। তাই এখন এথেন্সের পাশপাশি অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি বসবাসের জন্য থেসালুনিকিকে বেছে নিচ্ছেন।

থেসালুনিকিতে বর্তমানে বাংলাদেশি মালিকানাধীন বেশ কিছু দোকান রয়েছে, এমনকি বাংলাদেশিদের পরিচালিত একটি মসজিদও রয়েছে। আমরা দুপুরে সে মসজিদে জুমুআর নামাজ আদায় করলাম। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোর মাঝে গ্রিস এবং স্লোভাকিয়া দুইটি দেশ যেখানে অফিসিয়াল কোনও মসজিদ নেই। কয়েকজন মুসল্লী একত্রিত হয়ে কোনও একটা ভবনের নীচের অংশ ভাড়া নিয়ে মসজিদের কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে।

গ্রিস যেহেতু একই সাথে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন এবং সেনজেনের সদস্য; তাই সেনজেনভুক্ত যে কোনো রাষ্ট্রের ভিসা কিংবা রেসিডেন্ট পারমিট থাকলে গ্রিস ভ্রমণ করা যায়। গ্রিসের দ্বিতীয় বৃহত্তম নগরী এবং অন্যতম প্রধান বন্দর নগরী হিসেবে থেসালুনিকির সাথে ইউরোপের বেশিরভাগ প্রসিদ্ধ শহরের ফ্লাইট সংযোগ রয়েছে। পার্শ্ববর্তী দেশ বুলগেরিয়া, তুরস্ক মেসিডোনিয়া কিংবা আলবেনিয়া থেকে সড়কপথেও থেসালুনিকি ভ্রমণ করা যায়। বাজেট অনুযায়ী থাকার জায়গা নির্ধারণের জন্য রয়েছে বুকিং ডট কম কিংবা এয়ারবিএনবির মতো অ্যাপভিত্তিক বিভিন্ন পরিষেবা। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত অন্যান্য দেশের চেয়ে গ্রিসে জীবনযাত্রার ব্যয় তুলনামূলকভাবে এখনও কম।

লেখক : শিক্ষার্থী, ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন ফিজিক্স অ্যান্ড অ্যাস্ট্রোফিজিক্স, ইউনিভার্সিটি অব নোভা গোরিছা, স্লোভেনিয়া।

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন