পর্যটকদের জন্য মার্চেই খুলছে মালয়েশিয়া

0
Travelion – Mobile

আগামী ১ মার্চ থেকে বিদেশি পর্যটকদের জন্য সীমান্ত খুলে দিচ্ছে মালয়েশিয়া। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১ মার্চ থেকে বাইরের বিভিন্ন দেশের যেসব পর্যটক মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করবেন- তাদের বেলায় আর থাকছে না বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন।

দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও করোনা মহামারি প্রতিরোধ বিষয়ক সরকারি উপদেষ্টা কমিটি ন্যাশনাল রিকভারি কাউন্সিলের (এনআরসি) প্রধান মুহিউদ্দিন ইয়াসিন মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন।

‘এর অর্থ হলো— পর্যটক ও বিনিয়োগকারীরা আবার নিশ্চিন্তে দেশে প্রবেশ করতে পারবেন, এয়ারএশিয়া (মালয়েশিয়ার সরকারি বিমান পরিষেবা সংস্থা) ফের বিনা বাধায় আকাশে উড়বে’- সংবাদ সম্মেলনে বলেন মুহিউদ্দিন ইয়াসিন।

করোনা সংক্রমণ ও মহামারি ঠেকাতে ২০২০ সালের মার্চে বিদেশি পর্যটকদের জন্য সীমান্ত বন্ধ করেছিল মালয়েশিয়া; কিন্তু তা কতখানি কাজে এসেছে— সে প্রশ্ন ওঠা খুব স্বাভাবিক।
কারণ মহামারির গত দুই বছরে এশিয়ার যেসব দেশ সবচেয়ে বিপর্যয়ের মধ্যে দিয়ে গেছে, সেসবের মধ্যে মালয়েশিয়া অন্যতম। সরকারি হিসেবেই মালয়েশিয়ায় করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মোট ২৯ লাখ ২৫ হাজার ২৫৪ জন এবং এই রোগে দেশটিতে মৃত্যু হয়েছে মোট ৩২ হাজার ৪৩ জনের। এর মধ্যে সোমবার দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১১ হাজার ৩৪ জন এবং মারা গেছেন ৯ জন।

amar lab – mobile

তবে করোনা মহামারির বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে গেলেও জাতীয় টিকাদান কর্মসূচিতে অত্যন্ত সফল মালয়েশিয়া। দেশটির মোট প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার ৯৮ শতাংশই করোনা টিকার দুই ডোজ সম্পূর্ণ করেছেন, আর তৃতীয় বা বুস্টার ডোজ নিয়েছেন ৫০ শতাংশেরও বেশি প্রাপ্তবয়স্ক।

এছাড়া ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী অপ্রাপ্ত বয়স্কদের ৮৯ শতাংশ টিকার দুই ডোজ সম্পূর্ণ করেছেন। আগামী সপ্তাহ থেকে ৫ থেকে ১১ বছর বয়সী শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে মালয়েশিয়ায়।

সম্প্রতি মালয়েশিয়ার তিন প্রতিবেশী দেশ থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন ও সিঙ্গাপুর বিদেশি পর্যটকদের জন্য সীমান্ত খুলে দিয়েছে। টিকাদান কর্মসূচি সফল হওয়ায় মালয়েশিয়াও আগের অবস্থান থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিল।

ইতোমধ্যে অবশ্য এক দ্বিপাক্ষিক চুক্তির আওতায় সিঙ্গাপুরের নাগরিকদের জন্য কোয়ারেন্টিনমুক্ত ভ্রমণনীতি চালু করেছে মালয়েশিয়ার সরকার।

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন