ওমানের সুলতান ও সালতানাতের জন্য শিল্পীর ভালবাসা

0

ওমানের আল বাতনাহ প্রদেশের রুস্তাক শহর থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র ওয়াদি হোকাইন গ্রামে প্রবেশ করলেই দর্শনার্থীরা বেশ চমকে যাবেন। এর প্রবেশমূখে খচিত ওমানের প্রয়াত ও জনপ্রিয় সুলতান কাবুস আল সাইদ এবং বর্তমান সুলতান হাইথাম বিন তারেক-এর বিশালাকার দেয়ালচিত্র তাদের দৃষ্টিতে নিঃসন্দেহে জাগাবে বিস্ময়।

ওমানের প্রতি ভালোবাসা এবং দেশটির বর্তমান সুলতান এবং প্রয়াত সুলতান কাবুসের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনে বিরাট আকৃতির এই দেয়ালচিত্র বা গ্রাফিতি আর্ট এক তরুণ চিত্রকলা শিল্পীর প্রচেষ্টা। এই অনবদ্য নজড়কাড়া শিল্প নির্মাণের পেছনে লুকিয়ে আছে শিল্পী খালিল মোহাম্মদ আল সালমির কষ্ট আর দূর্ভোগের গল্প। গ্রীষ্মের কাঠফাটা তাপে টানা আট দিনের পরিশ্রম আর নানা কানকথার ভৎসর্না এড়িয়ে সফলতার ফসল এই শিল্প।

জানা গেছে ২০ বছর বয়সী খলিল মোহাম্মদ আল সালমি, রুস্তাক প্রদেশেরই বাসিন্দা এবং সুলতান কাবুস বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইন আর্টস কলেজের ছাত্র। গত পাঁচ বছর ধরে তিনি নিজেকে তৈরি করেছেন সুউচ্চ শৈল্পিক অবকাঠামো নয়তো দেয়ালের ক্যানভাসে বড় চিত্রকর্ম, বিশালাকার পোর্টেট এঁকে নয়তো ওমানের বিভিন্ন স্পটে সৌন্দর্যের শিল্প তৈরি করে।

মাসকাট ডেইলিকে সালমি জানিয়েছেন,“আমি ছোটবেলা থেকে গ্রাফিতি শিল্পের সাথে জড়িত। আমি এ বছর রমজানের শেষে মহামান্য সুলতান হাইথাম এবং প্রয়াত সুলতান কাবুসের প্রতিকৃতি নিয়ে কাজ শুরু করি যা শেষ করতে আমার টানা আট দিন লেগেছিল।”

সালমি তার আউটডোর গ্রাফিতির মাধ্যমে রুস্তাক প্রদেশের অনেক স্থানের সৌন্দর্য এবং আকর্ষণ বাড়াতে ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর মতে এই ধরনের শিল্প পর্যটনকে উৎসাহিত করে, পর্যটকদের আকৃষ্ট করে এবং মানুষকে পরিবেশ সংরক্ষণে উজ্জীবিত করে।

সালমি বলেন,“মহামান্য সুলতান হাইথাম বিন তারিক ও প্রয়াত সুলতান কাবুসের প্রতি আমার ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করতেই আমার এই প্রয়াস। দুই সুলতানের এই গ্রাফিতিগুলো ২.৫ মিটার উঁচু এবং ৮ মিটার চওড়া।

তিনি যোগ করেন, “এটা কোন সহজ কাজ ছিল না যেহেতু আমি রমজান মাসে শুরু করেছিলাম এবং প্রচণ্ড গরমের সময় দিনে টানা কয়েক ঘন্টা কাজ করেছি। এছাড়াও, কিছু লোক আমার যোগ্যতা নিয়েও সন্দিহান ছিল। তবে দৃঢ় সংকল্প এবং ধৈর্য দিয়ে আমি নিজেকে প্রমাণ করেছি।”

করোনাময় বিশ্ব : কেমন আছেন ওমানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা : পর্ব ২

করোনাময় বিশ্ব : কেমন আছেন ওমানপ্রবাসী বাংলাদেশিরা : পর্ব ২পরিকল্পনা ও গ্রন্থণা : এজাজ মাহমুদ, প্রধান সম্পাদক, আকাশযাত্রাসঞ্চালনায় : আহমেদ তোফায়েল, সাংবাদিক ও উপস্থাপকসমন্বয় : মীর মাহফুজ আনাম, প্রবাসী সাংবাদিকঅতিথিইফতেখার চৌধুরী, সিইও – গাল্ফ ওভারসিজ এক্সচেঞ্জ, সাবেক চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ স্কুল মাস্কাট মো. আবদুল আলীম গাজী (পলাশ)- আমদানিকারক ও ইনভেস্টর, প্রাক্তন পরিচালক-বাংলাদেশ স্কুল মাস্কাটইব্রাহিম চৌধুরী, জি এম – আল হোসাইনী গ্রুপ- সাবেক সাধারণ. সম্পাদক-বাংলাদেশ সোশ্যাল ক্লাবৎএম এন আমিন-সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ সোশ্যাল ক্লাব, ওমান৩০ জুলাই, বৃহস্পতিবার : ওমান : রাত ৯.০০ টা __বাংলাদেশ : রাত ১১.০০ টা

Posted by AkashJatra on Thursday, July 30, 2020

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।