কুয়েতে সাধারণ ক্ষমা কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর থেকে আবাসিক ও শ্রম আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী।
এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন আইনি লঙ্ঘনের অভিযোগে মোট ৩৪ হাজার ১৪৩ জন প্রবাসীকে দেশ ছোড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে কুয়েতের বিভিন্ন অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে আইন লঙ্ঘনকারীদের গ্রেপ্তার করা হয়। নির্বাসিতদের মধ্যে নারী-পুরুষ উভয়ই রয়েছেন বলে জানা গেছে।
শুধু আবাসিক ও শ্রম আইন ভঙের অভিযোগই নয়—অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন, নৈতিক অপরাধ এবং প্রশাসনিক বিধি লঙ্ঘনের সাথেও অনেককে যুক্ত পাওয়া গেছে।
তবে নির্বাসিতদের মধ্যে কতজন বাংলাদেশি আছেন, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।
মন্ত্রণালয় জানায়, ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা জোরদার এবং দেশকে অবৈধ শ্রমিকমুক্ত করতে এ ধরনের অভিযান আরও তীব্র করা হবে।
তাদের মতে, নির্বাসন কেবল শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নয়; বরং দেশের সামগ্রিক স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় সরকারের ধারাবাহিক প্রচেষ্টার অংশ।
কুয়েতকে অবৈধ অভিবাসনমুক্ত করার লক্ষ্যে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ ফাহাদ ইউসুফ সৌদ আল-সাবাহ।
তিনি জানান, শ্রমবাজার নিয়ন্ত্রণ ও অভিবাসন আইন কঠোরভাবে বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই এই অভিযান অব্যাহত থাকবে।


