যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরগুলোতে মোতায়েন হচ্ছে ‘আইস’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান বিমানবন্দরগুলোতে যাত্রী ভোগান্তি ও নিরাপত্তা সংকট চরমে পৌঁছানোয় এক নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আগামী সোমবার থেকে গুরুত্বপূর্ণ বিমানবন্দরগুলোতে ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের (ICE) এজেন্টদের মোতায়েন করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, দীর্ঘদিনের সরকারি অচলাবস্থা এবং ট্রান্সপোর্টেশন সিকিউরিটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (TSA) চরম কর্মী সংকট মোকাবিলাতেই এই পদক্ষেপ।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তার নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এক পোস্টে সোমবারের মধ্যেই আইসিই এজেন্টদের বিমানবন্দরে পৌঁছানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি লিখেছেন: “আমি সোমবার আইসিই-কে সেখানে সরিয়ে নেওয়ার অপেক্ষায় আছি এবং তাদের ইতিমধ্যেই বলেছি, ‘প্রস্তুত থাকো।’ আর কোনো অপেক্ষা নয়, আর কোনো খেলা নয়!”

হোয়াইট হাউসের বর্ডার জার টম হোমান একটি টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে জানান, আইসিই-র উচ্চ প্রশিক্ষিত কর্মকর্তারা বিমানবন্দরের প্রস্থান পয়েন্টগুলোর (Exit Points) দায়িত্ব নেবেন। এতে টিএসএ কর্মীরা কেবল সিকিউরিটি স্ক্রিনিংয়ের কাজে মনোনিবেশ করার সুযোগ পাবেন, যা দীর্ঘ লাইন কমাতে সাহায্য করবে।

Travelion – Mobile
Diamond-Cement-mobile

গত ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগের (DHS) তহবিল বন্ধ থাকায় টিএসএ কর্মীরা বিনা বেতনে কাজ করছেন। ১৭০ দিনের মধ্যে প্রায় অর্ধেক সময় বেতনহীন থাকায় কয়েকশ কর্মী পদত্যাগ করেছেন এবং অনেকে কাজে যোগ দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। ট্রান্সপোর্টেশন সেক্রেটারি শন ডাফি সতর্ক করেছেন যে, শুক্রবারের মধ্যে আরও কর্মী চলে গেলে আগামী সপ্তাহে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে।

বর্তমানে নিউ ইয়র্ক সিটির জেএফকে (JFK) এবং লাগার্ডিয়া বিমানবন্দরের চিত্র সবচেয়ে উদ্বেগজনক। সামাজিক মাধ্যমে যাত্রীরা দীর্ঘ লাইনের ছবি ও ভিডিও পোস্ট করে ক্ষোভ ঝাড়ছেন। নিরাপত্তা জোনে পার হতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে যাত্রীদের, যা সাধারণ মানুষের কাছে ‘সিকিউরিটি লাইন হেল’ বা নরক যন্ত্রণা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

সব খবর জানতে, এখানে ক্লিক করে আকাশযাত্রার ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকার অনুরোধ

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!