মিশরে অন-অ্যারাইভাল ভিসা পাবেন বাংলাদেশিরা

0

পিরামিডের দেশ মিশরে অন-অ্যারাইভাল ভিসায় (পোর্ট এন্ট্রি) ভ্রমণ করতে পারবেন বাংলাদেশি নাগরিকরা। শর্তসাপেক্ষে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য এই সুবিধা দিয়েছে দেশটির সরকার।

শর্ত হচ্ছে, যে সকল বাংলাদেশি নাগরিকের পাসপোর্টে জাপান, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও শেনজেন চুক্তিভুক্ত ইউরোপীয় দেশসমূহের বৈধ ব্যবহৃত ভিসা কিংবা রেসিডেন্স পারমিট আছে তারাই শুধু মিশরের যেকোন বিমানবন্দর থেকে অন-অ্যারাইভাল ভিসার সুবিধা পাবেন।

সম্প্রতি মিশরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এশিয়া বিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জারি করা সরকারি পরিপত্রে কায়রোর বাংলাদেশ দূতাবাসকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

Travelion – Mobile

এ বিষয় নিশ্চিত করে মিশরে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. মনিরুল ইসলাম জানান, কয়েকমাস ধরে ঢাকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মিশরীয় দুতাবাসগুলো থেকে বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের ভিসা পাওয়ার দুরূহ হয়ে পড়েছিল। বিশেষ করে মহামারী করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে ভিসা প্রার্থীদের ভিসা পেতে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হতো।

গত মার্চ মাসে বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা সংক্রান্ত সমস্যাগুলি নিয়ে আলোচনা করার জন্য মিশরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এবং এশিয়া বিষয়ক সহকারি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ভিসা ব্যবস্থা শিথিল ও সহজীকরণ করার জন্য বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে অনুরোধ জানানো হয়।

আগ্রহী বাংলাদেশিদের মিশর ভ্রমণের সময় দেশটির এই সরকারি পরিপত্রটি অনুবাদের কপিসহ সঙ্গে রাখতে হবে
আগ্রহী বাংলাদেশিদের মিশর ভ্রমণের সময় দেশটির এই সরকারি পরিপত্রটি অনুবাদের কপিসহ সঙ্গে রাখতে হবে

রাষ্ট্রদূত বলেন, দুই দিন আগে আবারও এই বিষয়ে বৈঠকের পর সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর বৈধ ব্যবহৃত ভিসার শর্তে বাংলাদেশিদের জন্য অন-অ্যারাইভাল ভিসা চালুর সরকারি সিদ্ধান্তের কথা জানান এশিয়া বিষয়ক সহকারি পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

রাষ্ট্রদূতের প্রত্যাশা, এই ব্যবস্থায় পিরামিডের দেশটিতে অনেক বাংলাদেশির ভ্রমণের সুযোগ হবে।

“শর্তযুক্ত দেশগুলোর ব্যবহৃত ভিসা বা রেসিডেন্ট পারমিট থাকলে পৃথিবীর যে কোনো দেশ ভ্রমণের সময় ট্রানজিটে কিংবা সরাসরি মিশর প্রবেশ করা যাবে। যারা কায়রো ট্রানজিট নিয়ে ইউরোপ ও আমেরিকা ভ্রমণ করতে চান তাদের জন্য এই সুবিধা বেশি সুফল দিবে” মো. মনিরুল ইসলাম যোগ করেন।

দূতাবাস থেকে বলা হয়েছে, প্র্রাথমিক পর্যায়ে আগামী বছরের এপ্রিল পর্যন্ত এ সুবিধা প্রযোজ্য থাকবে। পরে দুই দেশের আলোচনার মাধ্যমে পুনরায় এর মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ আছে।

মিশর ভ্রমণে আগ্রহীদের কায়রোর বাংলাদেশ দুতাবাসের ভ্যারিফাইড ফেসবুক পেইজে ১৮ আগস্ট দেওয়া এ সংক্রান্ত মিশর সরকারের পরিপত্রটি অনুবাদের কপিসহ সঙ্গে রাখার জন্য বলা হয়েছে।

al sohar – mobile

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন