মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের জাতীয় শোক দিবস ও ২১ আগস্ট পালন

0

মালয়েশিয়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস এবং ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা করেছে আওয়ামী লীগ আহ্বায়ক কমিটি।

রবিবার (২১ আগস্ট) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় রাজধানী কুয়ালালামপুর গ্র্যান্ড কন্টিনেন্টাল হোটেলে আহ্বায়ক এম রেজাউল করিম রেজার সভাপতিত্বে ও কমিটির সদস্য কবি আলমগীর হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্টিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি জসীম উদ্দিন চৌধুরী।

সভার শুরুতে বঙ্গবন্ধুসহ সকল শহীদদের স্মরণে মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত শেষে শহীদদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

Travelion – Mobile

সভায় বক্তব্য রাখেন ঢাকা উত্তর রূপনগর থানা আওয়ামী লীগ সহ-সভাপতি মো. আকরামুজ্জামান জিবলু, মালয়েশিয়া আওয়ামী লীগ সিনিয়র নেতা ইঞ্জিনিয়ার মাহবুব মজুমদার, আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শাখাওয়াত হোসেন, ফারুক হোসেন, কুয়ালালামপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি মো. মফিজুল ইসলাম আরজু, সাধারণ সম্পাদক অনিক আমিন, মো: ফারুক মিয়া,আওয়ামী নেতা মো. শামসুল ইসলাম, সাচ্ছু মিয়া, রবিউল ইসলাম আমিন, আর ভি রিয়াদ, মো. ফাইরুজ, নয়ন হোসেন কাজল, কাজাং শাখা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ- সভাপতি মোঃ শাজাহান, কুলুয়াং শাখা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. বিপ্লব প্রমুখ।

মালয়েশিয়ায় আওয়ামী লীগের জাতীয় শোক দিবস ও ২১ আগস্টের অনুষ্ঠানে প্রবাসী নেতা-কর্মীরা
মালয়েশিয়ায় আওয়ামী লীগের জাতীয় শোক দিবস ও ২১ আগস্টের অনুষ্ঠানে প্রবাসী নেতা-কর্মীরা

বক্তারা, জাতির পিতা ও ১৫ আগস্টের সকল শহিদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, বঙ্গবন্ধু শুধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টাই নন, স্বাধীনতা লাভের পর ক্ষুধা দারিদ্রমুক্ত স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ার ভিত্তিও রচনা করে দিয়েছিলেন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গণে বাংলাদেশের জন্য স্বীকৃতি আদায়ে তাঁর বিজ্ঞ রাষ্ট্রনীতি ও কূটনীতি তাঁকে বিশ্বের দরবারে অন্যতম শ্রেষ্ঠ নেতার মর্যাদায় আসীন করেছে।

২০০৪ সালের একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বক্তারা বলেন, সে সময়ের বিরোধীদলীয় নেতা ও আওয়ামী লীগ সভাপতি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হত্যার উদ্দেশ্যে তার সমাবেশে দেশের ইতিহাসের বর্বরতম গ্রেনেড হামলা চালানো হয়েছিল। পনের আগস্টের হত্যার জন্য যেমন জিয়া দায়ী, তেমনি ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার জন্য মাস্টার মাইন্ড কুখ্যাত তারেক জিয়া দায়ী।

বক্তারা, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের সময়ের ওই হামলা মামলার রায় দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছেন।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা সঞ্জয় খান্না বিদ্যুৎ, শাহজালাল, মিজানুর রহমান মিজান, রঞ্জন ভৌমিক, প্রদীপ কুমার, মঞ্জুরুল ইসলাম, রিয়াদ, আমিন, রবিউলসহ আওয়ামী লীগ ও অন্যান্য সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী।

আলোচনা শেষে সকল শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন এ আর আনোয়ার।

al sohar – mobile

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন