নিজ দেশে আটকে আছে সোয়া ৪ লাখের বেশি কুয়েতপ্রবাসী

0

করোনা মহামারির কারণে লাখ লাখ কুয়েত প্রবাসী আটকে পড়েছে নিজ দেশে। কুয়েতের আকামা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হিসেবে এ সংখ্যা ৪ লাখ ২৬ হাজার ৮৭১।

দেশটির রেসিডেন্সি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহকারী আন্ডারসেক্রেটারি মেজর জেনারেল আনোয়ার আল-বারজাস এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, রেসিডেন্সি আইনের একটি সংশোধনী প্রণয়ন করার প্রক্রিয়া চলছে যা অনুমোদনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে।

আরব টাইমস জানিয়েছে, কুয়েতের বৈধ রেসিডেন্স পারমিট থাকার পরও ২৩ আগস্ট থেকে এসব প্রবাসী নিজ দেশে আটকা পড়েছে। তবে কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা, মেয়াদোত্তীর্ণ আকামা যাদের তারা কুয়েতে প্রবেশ করার অধিকার পাবেন না।

নিজ দেশে আটকেপড়া প্রবাসীদের ব্যাপারে আনোয়ার আল-বারজাস বলেন “দেশের বাইরে বৈধ রেসিডেন্সি পারমিটসহ আটকেপড়া প্রবাসীদের সংখ্যা বর্তমানে ৪ লাখ ২৬ হাজার ৮৭১ জন। তবে যাদের ভিসা মেয়াদউত্তীর্ণ তারা কুয়েতে ফিরতে পারবে না।

যারা ভ্রমণ ভিসায় কুয়েতে যেতে চান তাদের প্রসঙ্গে মেজর জেনারেল আনোয়ার আল-বারজাস বলেছেন, প্রবাসী আবাসিক আইন অনুযায়ী কুয়েতে যেসব দেশের জন্য এন্ট্রি ভিসা চালু রয়েছে তা সাধারণত একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বৈধ থাকে। তবে পরবর্তী বিজ্ঞপ্তি না দেওয়া পর্যন্ত সকল দেশের নাগরিকের জন্য সব ধরনের এন্ট্রি ভিসা ইস্যু করা আপাতত বন্ধ রাখা হয়েছে। এক্ষেত্রে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে নির্দেশনার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

২০২০ সালের ১ জানুয়ারির আগে যাদের কাজের চুক্তি বা আকামার মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে তারা কোন জরিমানা ছাড়াই কুয়েত ত্যাগ করতে পারবেন। এক্ষেত্রে তারা পরবর্তীতে ফিরে আসার অনুমতি পাবেন। আর যারা ভিসা বা চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও এখনো কুয়েত ছেড়ে যায়নি তাদের আইনি জটিলতা এবং জরিমানার শাস্তির আওতায় আনা হবে এবং ভবিষ্যতে তাদের আর ফিরে আসতে দেওয়া হবে না।

রেসিডেন্সি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহকারী আন্ডারসেক্রেটারি স্থানীয় দৈনিক আল আনবাকে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে বলেন, “প্রথমত, সবাই রেসিডেন্সি আইনের সংশোধনীর জন্য অপেক্ষা করছে, যা জনসংখ্যাতত্ত্ব সংশোধনের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলবে। করোনা সংকটের কারণে আমাতের ঘাটতি ও সীমাবদ্ধতাগুলো সামনে এসেছে, তাই সে অনুযায়ী এই সংশোধনীগুলো করা এবং সেগুলো বাস্তবায়ন করা হবে।”

“ নতুন সংশোধনী আনতে রেসিডেন্সি অ্যাফেয়ার্স বিভাগ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং যথাযথ কর্তৃপক্ষের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। বর্তমান সমস্যা বা সংকটের প্রেক্ষিতে যাতে প্রয়োজনীয় আইন এবং যথাযথ আইন জারি করা যায় জন্য যা উত্থাপিত করায় আমাদের মূল লক্ষ্য, ” যোগ করেন আনোয়ার আল-বারজাস।

ভিসা ফি বৃদ্ধি ব্যাপারে আনোয়ার বারজান বলেন, “এন্ট্রি এবং ভিজিট ভিসা পাওয়ার জন্য ফি বৃদ্ধি প্রসঙ্গে পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ফরেনার্স রেসিডেন্স আইন সংশোধন করা হলে বর্ধিত ফি’র পরিমাণ জানা যাবে। ”

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।