‘টুরিস্ট ভিসা’ দিচ্ছে দুবাই, খরচ ১৩ হাজার টাকা

4

সংযুক্ত আরব আমিরাতের বানিজ্যিক রাজধানী দুবাই ভ্রমনের জন্য’টুরিস্ট ভিসা’ দিচ্ছে আমিরাত সরকার। কভিড-১৯ মহামারি কাটিয়ে ফ্লাইট চলাচল শুরুর পর এই ভিসা দিচ্ছে কর্তৃপক্ষ। তবে ভিসা পেতে বাধ্যতামূলকভাবে ‘হেলথ ইন্সুরেন্স সনদ’ জমা দিতে হবে এজন্য গুনতে হবে বাড়তি টাকা। সবমিলিয়ে দুবাই ট্রাভেল ভিসা পেতে জনপ্রতি লাগবে ১৩ হাজার টাকা, আগে লাগতো সাড়ে ৮ হাজার টাকা।

এ বিষয়ে জনপ্রিয় ট্রাভেল এজেন্সি বি ফ্রেশ ট্রাভেল এজেন্সির কর্মকর্তা সৌরভ বড়ুয়া আকাশযাত্রাকে বলেন, দুবাই-বাংলাদেশ ফ্লাইট চলাচল শুরুর পর আমরা বেশ কিছু ‘টুরিস্ট ভিসা’র আবেদন পাচ্ছি। দুদিনের মধ্যে সেসব ট্রাভেল ভিসার অনুমোদন মিলছে। আমাদের কাছ থেকে ভিসা নিয়ে নিরাপদ এবং ঝামেলাহীনভাবে দুবাই পৌঁছেছেন যাত্রীরা।

তিনি বলছেন, এখন ভিসা পেতে বাধ্যতামূলকভাবে ‘হেলথ ইন্সুরেন্স সনদ’ জমা দিতে হবে। হেলথ ইন্সুরেন্স সনদ’সহ ভিসা পেতে খরচ হবে ১৩ হাজার টাকা। দুদিনের মধ্যে ভিসা পেতে চাইলে ১৫ হাজার টাকার মতো খরচ হচ্ছে।

বাংলাদেশ বিমান বলছে, বর্তমান কভিড়-১৯ মহামারির এই সময়ে দুবাই যেতে আরব আমিরাত কর্তৃপক্ষের দেয়া কিছু নিয়মকানুন মানতে হবে। ভ্রমন, রেসিডেন্ট ও ট্রানজিট ভিসাধারীদের যাত্রা শুরুর আগের ৯৬ ঘণ্টার মধ্যে বাংলাদেশ সরকার নির্ধারিত পিসিআর ল্যাব থেকে কভিড টেস্ট করিয়ে ‘কোভিড-১৯ নেগেটিভ’ সার্টিফিকেট নিতে হবে এবং সঙ্গে আটটি প্রিন্ট কপি রাখতে হবে। যেগুলো বাংলাদেশ এবং দুবাই বিমান বন্দর এয়ারলাইনসে জমা দিতে হবে। আর কভিড সনদটি ইংরেজি বা আরবি ভাষার হতে হবে।

আরও পড়তে পারেন : বাংলাদেশিদের জন্য আট শ্রেণীতে ভিসা দিচ্ছে ভারত

একইসাথে দুবাই যাওয়ার আগে প্রত্যেক যাত্রীকে একটি ‘স্বাস্থ্য বিষয়ক ফরম’ পূরণ করতে হবে এবং ‘কভিড-১৯ ডিএক্সবি স্মার্ট অ্যাপ’ ডাউনলোড করতে হবে। আর বাংলাদেশ থেকে সবাইকে হেলথ ইন্স্যুরেন্স সনদ নিতে হবে।

ট্রাভেল এজেন্সিগুলো বলছে, যাত্রীদের দুবাই এয়ারপোর্টে পৌঁছে ইমিগ্রেশনের আগেই পিসিআর টেস্ট করানো হবে। টেস্টের রেজাল্ট দেয়ার আগ পর্যন্ত যাত্রীদের সেলফ আইসোলেটেড অবস্থায় থাকতে হবে। দুবাই কর্তৃপক্ষ অ্যাপসের মাধ্যমে সেলফ আইসোলেশন মানা হচ্ছে কিনা তার গতিবিধি ট্র্যাক করবে। টেস্টের ফলাফল নেগেটিভ আসলে তারা আইসোলেশন থেকে বের হয়ে ঘোরাঘুরি করতে পারবেন।

ট্রাভেল এজেন্সি বলছে, বর্তমানে ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে বাংলাদেশ বিমান আবুধাবি ও দুবাই ফ্লাইট পরিচালনা করছে। আর বিদেশি বিমান সংস্থা এমিরেটস পরিচালনা করছে ঢাকা-দুবাই রুটে। আরেক বিদেশি বিমান সংস্থা ইতিহাদ এয়ারলাইনস পরিচালনা করছে ঢাকা-আবুধাবি রুটে। আর ফ্লাই দুবাই পরিচালনা করছে ঢাকা-দুবাই এবং চট্টগ্রাম-দুবাই রুটে। এয়ার এরাবিয়া পরিচালনা করছে ঢাকা ও চট্টগ্রাম থেকে আবুধাবি ও শারজাহ রুটে।
# আসিফ সিদ্দিকী, চট্টগ্রাম। ৯ অক্টোবর ২০২০

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

4 মন্তব্য
  1. Mohammad Ruman Hossain বলেছেন

    ডুবাই টুরিস্ট কি দি?

  2. Mohammad Ruman Hossain বলেছেন

    ডুবাই টুরিস্ট ভিসা কি দি?

  3. Md mamun বলেছেন

    দুবাই কি যাওয়া যাবে নাকি

  4. Md mamun বলেছেন

    ভাই কিছু বলেন না কানো

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।