চীনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের খুশীতে একদিন

প্রাণবন্ত বনভোজনে

0

প্রবাসীদের মাঝে ভাতৃত্ববোধ বৃদ্ধি করতে এবং করোনা পরবর্তী প্রবাস জীবনের একঘেঁয়েমি কাটাতে চীনের চিয়াংশি প্রদেশে বসবাসরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের নিয়ে হয়ে গেলো প্রাণবন্ত বনভোজন। দূর পরবাসে কর্মব্যস্ত জীবনে একটু অবসরের স্বাদ নিতে সবাই অংশগ্রহণ করেন এতে। অনুষ্ঠানের বিশেষ আকর্ষণ ছিল বাংলাদেশি খাবারের ব্যাপক আয়োজন।

স্থানীয় সময় রোববার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে চিয়াংশি প্রদেশের রাজধানী নানচাং শহরে অবস্থিত ইয়াওহু বারবিকিউ ইকোলজিকাল গার্ডেনে “বাংলাদেশি কমিউনিটি ইন চিয়াংশি প্রভিন্স” এর উদ্যেগে বার্ষিক এই বনভোজনটি অনুষ্ঠিত হয়। দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালায় ছিল খেলাধুলা, প্রীতিভোজ, আলোচনা সভা, লাকী কূপন ড্র, চা নাস্তা, পুরস্কার বিতরণী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদি।

দিনের শুরুতেই ইয়াওহু লেকের প্রকৃতির সৌন্দর্যে মোড়া বনভোজনের স্পটটি বাংলাদেশি অভিবাসীদের পদচারণায় মূখরিত ছিল। বাংলাদেশি শিক্ষার্থী, কর্মজীবী ও ব্যবসায়ীরা কেউ একা আবার কেউ দল বেঁধে উপস্থিত হতে থাকেন। প্রবাসীদের উপস্থিতিতে ইয়াওহু লেকের একটি অংশে সৃষ্টি হয় যেন এক টুকরো বাংলাদেশ।

চীনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রাণবন্ত বনভোজন
চীনে প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রাণবন্ত বনভোজন

বনভোজন অনুষ্ঠানের সার্বিক পরিচালনায় ছিলেন, ইমতিয়াজ আহমেদ রুমী ও মো: মাহামুদুর রহমান রোকন এবং সহযোগিতায় ছিলেন আকরাম, শাকিল, তানভীর। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনা করনে মুহা: ওলিউদ্দিন ও সৈয়দ মোহাম্মদ ফাহিম।

চীনের বুকে প্রবাসে খুশিতে একদিন অনুষ্ঠানে মধুর অনুভূতি তুলে ধরে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য দেন, আলি সারোয়ার খান, শাওন আহমেদ খান, তমাল বর্মন, ওবায়দুল হক, নাজমুল হাসান, জালাল আহমেদ সহ আরো অনেকে।

বনভোজনের শেষ পর্ব ছিল পরিচিতি ও অনুভূতি প্রকাশ, র‌্যাফেল ড্র, পুরস্কার বিতরণী, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দেশীয় গান পরিবেশন করেন চীনে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি ছাত্র মো. আবির হোসেন ও মো. রকিনুল ইসলাম নিশান।

প্রবাসীদের এই মিলনমেলা শুধু মনের খোরাক-ই জোগায় না, দেয় অনাবিল শান্তি আর শক্ত করে বিদেশের মাটিতে ভ্রাতৃত্বের বন্ধন। এই ধারা বজায় থাকুক, এমন প্রত্যাশা নিয়েই এবারের পিকনিক সফলভাবে শেষ হয়।

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।