কুয়েত উদযাপন করেছে ৬০ তম জাতীয় দিবস

0

সকল খাতের বিকাশ এবং দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় নেতৃত্বের প্রচেষ্টা চিহ্নিত করে কুয়েত আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি (বৃহস্পতিবার) ৬০ তম জাতীয় দিবস উদযাপন করছে।

এই বছরের উদযাপন দেশের নতুন আমির শেখ নওয়াফ আল-আহমদ আল-জাবের আল-সাবাহ এবং ক্রাউন প্রিন্স শেখ মিশাল আল-আহমদ আল-জাবের আল-সাবাহের নেতৃত্বে প্রথম হচ্ছে।

এবারের উদযাপনে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হচ্ছে কুয়েতে প্রয়াত আমির শেখ সাবাহ আল-আহমদ আল-জাবের আল-সাবাহের প্রচেষ্টার কথাও, যিনি দীর্ঘ বছর ধরে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিটি স্তরে সাফল্যে রেখে গত বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর মারা গেছেন।

করোনভাইরাস পরিস্থিতির কারণে এই বছরের উদযাপন সরকারী কর্মসূচি বন্ধ রাখা হয়েছে, তবে কুয়েতি পরিবারগুলি নিজ বাড়িতে জাতীয় দিবস উদযাপন অনুষ্ঠান অব্যাহত রেখেছে।

১৯৬২ সালের ১৯ জুন কুয়েত বিশাল সামরিক পারফরম্যান্সের আয়োজনের মাধ্যমে প্রথম জাতীয় দিবস উদযাপন করেছিল। তৎকালীন আমির শেখ আবদুল্লাহ আল-সালেম আল সাবাহ তার বক্তব্যে বলেছিলেন যে, কুয়েতিরা মাতৃভূমির দুর্দান্ত ভবিষ্যত গড়তে এবং ঐক্যবদ্ধ হয়ে সামাজিক সাম্য অর্জন করবে।

একই বছরে, কুয়েত গণতন্ত্রের উপর নির্ভরশীল সংবিধান রচনার দায়িত্ব দিয়ে একটি সংস্থাপন কাউন্সিল চালু করে। তাদের তৈরি সংবিধানটি ১৯৬২ সালের নভেম্বরে আমির শেখ আবদুল্লাহ আল-সালেম অনুমোদন দেন। তারপরে ১৯৬৩ সালের ২৩ জানুয়ারিতে প্রথম আইনসভা বা সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

১৯৬২ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত ১৯ জুনই জাতীয় দিবস উদযাপন অব্যাহত ছিল, তবে ১৯৬৪ সালের ১৮ মে একটি আমিরির ডিক্রি জারির মাধ্যমে স্বাধীনতা দিবসকে আমির শেখ আবদুল্লাহ আল-সালামের শাসক হিসেবে ক্ষমতা আরোহণের দিন ২৫ শে ফেব্রুয়ারির সঙ্গে একীভূত করা হয়।

গত ৬০ বছরে, কুয়েতের বৈদেশিক নীতি সর্বদা নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ ছিল, পাশাপাশি আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা অর্জনে আঞ্চলিক এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির সাথে সহযোগিতার দিকেও জোর দিয়েছিল। কুয়েত আরব ও মুসলিম বিশ্বের সাথেও সুদৃঢ় সম্পর্ক গড়ে তুলেছিল এবং জিসিসি, আরবলীগ ও জাতিসংঘের কাজকে সমর্থন করার জন্য দুর্দান্ত প্রচেষ্টা চালিয়েছিল।

তাছাড়া, বিশ্বজুড়ে অভাবীদেরকে অবিচ্ছিন্নভাবে সহায়তা করা, মানবিক ক্ষেত্রে এই দেশটির দুর্দান্ত অর্জন রয়েছে। এই প্রচেষ্টাগুলি ইউএন কর্তৃক ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বরে স্বীকৃতি পেয়েছিল, প্রয়াত আমির শেখ সাবাহকে “মানবতাবাদী নেতা” এবং কুয়েতকে “মানবিক দেশ” উপাধি প্রদান করেছিল।

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন