কাতারে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন মেঘনা

কাতারের আকাশে সেদিন ছিল এক অন্যরকম আলো। প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রাণের স্পন্দনে মুখর হয়ে উঠেছিল কেমব্রিজ স্কুল মাঠ। প্রথমবারের মতো কাতারে বাংলাদেশ দূতাবাস আয়োজিত ফুটবল টুর্নামেন্ট যেন হয়ে উঠেছিল প্রবাসী জীবনের ক্লান্ত দুপুরে এক চিত্তাকর্ষক উৎসব।

শুক্রবার সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলায় উত্তেজনার চূড়ান্ত মুহূর্তে টাইব্রেকারে পদ্মাকে ৩–২ গোলে পরাজিত করে মেঘনা দল ছিনিয়ে নেয় চ্যাম্পিয়নের মুকুট।

খেলায় জয়-পরাজয়ের উত্তাপ থাকলেও চারটি দলের সম্মিলিত অংশগ্রহণে ফুটে উঠেছিল প্রবাসী ঐক্যের রঙিন ছবি। যমুনা, সুরমা, পদ্মা ও মেঘনা—বাংলার চার নদীর নামে গঠিত এই দলগুলো যেন কাতারে এসে বয়ে আনছিল বাংলাদেশি সংস্কৃতির জলছবি।

রানার আপ পদ্মা। ছবি সংগৃহীত
রানার আপ পদ্মা। ছবি সংগৃহীত

Travelion – Mobile

খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দল দলের হাতে ট্রফি এবং বিভিন্ন ম্যাচে জয়ীদের মাঝেও পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি কাতারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম।

Diamond-Cement-mobile

এ সময় তিনি বলেন, “প্রবাসীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণই আমাদের এমন আয়োজন চালিয়ে যাওয়ার প্রেরণা।” তিনি বিজয়ী মেঘনা ও রানার্সআপ পদ্মাসহ সব দলের খেলোয়াড়দের অভিনন্দন জানান এবং ট্রফি ও পুরস্কার বিতরণ করেন।

প্রবাসী ক্রীড়াবিদদের চোখে ছিল উচ্ছ্বাস, মুখে ছিল তৃপ্তির হাসি। কর্মব্যস্ত জীবনের চাপ ভুলে শুক্রবারের এমন এক আয়োজন তাদের মনে এনেছে নতুন প্রশান্তি। ক্রীড়া সংগঠকরা দূতাবাসকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, “খেলাধুলা প্রবাস জীবনে প্রাণের মতো—এ ধরনের আয়োজন চলমান থাকলে প্রবাসী সমাজ আরও উজ্জীবিত হবে।”

সত্যিকার অর্থে, এই টুর্নামেন্ট ছিল শুধুমাত্র একটি খেলার আয়োজন নয়—বরং ছিল এক গৌরবময় সমাবেশ, যেখানে জড়ো হয়েছিল প্রবাসীদের আত্মিক বন্ধন, বাংলার স্মৃতি, আর স্বদেশের প্রতি অবারিত ভালোবাসা।

সব খবর জানতে, এখানে ক্লিক করে আকাশযাত্রার ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকার অনুরোধ

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!