করোনায় কতটা ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশের এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রি?

0

করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক মহামারির কারণে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত বাংলাদেশের বিমান কোম্পানিগুলোর জানুয়ারি থেকে জুন মাস পর্যন্ত প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার লোকসান হয়েছে।

তিন মাসের মতো বন্ধ থাকার পর বিমান চলাচল স্বল্প পরিসরে শুরু হলেও যাত্রী পাচ্ছে না এয়ারলাইন্সগুলোর কোনটিই। দেশের তিনটি বেসরকারি এয়ারলাইন্স কোম্পানির একটির সকল কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। সকল কর্মীকে তারা অবৈতনিক ছুটিতে পাঠিয়েছে। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স বিভিন্ন হারে তাদের কর্মীদের বেতন কমিয়েছে।

বাংলাদেশ বিমানের ১৭শ কোটি টাকার রাজস্ব ক্ষতি
বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কোম্পানি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও দেশের বাকি তিনটি বেসরকারি এয়ারলাইন্স ইউএস বাংলা, নভো এয়ার ও রিজেন্ট এয়ারওয়েজ মার্চ থেকে জুনের শুরু পর্যন্ত কোন ফ্লাইটই চালাতে পারেনি। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোকাব্বির হোসেন কোম্পানিটির পরিস্থিতি বর্ণনা করছিলেন।

তিনি বলেছেন, “ফেব্রুয়ারিতে আমাদের ক্যাপাসিটি লস ছিল ২৬ শতাংশ, যেটা মার্চের শেষে এসে দাঁড়িয়েছিল ৭৬ শতাংশ। মার্চের শেষে সব কমার্শিয়াল অপারেশন বন্ধ হয়ে গেল জুন পর্যন্ত। এরপর থেকে আমরা শুধু চার্টার্ড ও কার্গো ফ্লাইট চালাচ্ছি কিন্তু সেগুলোতো সীমিত। আমরা সম্প্রতি কেবলমাত্র কমার্শিয়াল ফ্লাইট সপ্তাহে একটা ঢাকা-লন্ডন শুরু করেছি। আর শুরু করেছি ইউএইতে শুরু করেছি যেহেতু তারা বিমানবন্দর চালু করেছে। তবে সেখানে অনেক রেষ্ট্রিকশন আছে।”

আটকেপড়া বাংলাদেশিদের প্রবাসে ফেরাতে বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স
আটকেপড়া বাংলাদেশিদের প্রবাসে ফেরাতে বিশেষ ফ্লাইট পরিচালনা করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স

যেখানে বিশ্বের ১৭ টি গন্তব্যে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালনা করতো বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইন্স, সেখানে এখন মাত্র দুটি গন্তব্যে ফ্লাইট চালু আছে। মি. হোসেন বলছেন, এর ফলে মার্চ থেকে জুন পর্যন্ত কোম্পানিটির ১৭শ কোটি টাকার বেশি লোকসান হয়েছে।

তিনি বলছেন, কোভিড- ১৯ বিষয়ক স্বাস্থ্য বিধির কারণে এই দুটি গন্তব্যেও উড়োজাহাজের আসন অনুযায়ী যাত্রী নেয়া সম্ভব হচ্ছে না।

“আইকাও-এর নির্দেশনা হচ্ছে, বিমানের পিছনের দুটি সারি খালি থাকতে হবে। যদি বিমান চলা অবস্থায় কেউ অসুস্থ হয় তাহলে তাকে সেখানে আইসোলেট করা হবে। আবার আমাদের সিভিল এভিয়েশন বলছে পাশাপাশি দুইজন বসতে পারবে না।

”তার মধ্যে এখন কোভিড-১৯ নেগেটিভ সার্টিফিকেট দিতে হবে যাত্রীদের যা ফ্লাইটের ৭২ ঘণ্টা আগে করাতে হবে। এখন টিকেট আগে বিক্রি হল কিন্তু তাদের মধ্যে যদি কেউ কোভিড পজিটিভ হয় তাহলে তাদের আমি নিতে পারবো না। ফ্লাইট পরিচালনায় এরকম একটা অনিশ্চয়তা রয়ে যাচ্ছে,” মি. হোসেন বলছেন।

বেসরকারি এয়ারলাইন্সগুলোর পরিস্থিতি
বাংলাদেশে সর্বশেষ তিনটি বেসরকারি এয়ারলাইন্স চালু ছিল। বেসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয়ের কাছে তাদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী জুন পর্যন্ত ইউএস বাংলার প্রায় চারশো কোটি টাকার লোকসান হয়েছে, রিজেন্ট এয়ারওয়েজ ২০০ কোটি টাকা এবং নভো এয়ারের লোকসান ৬৯ কোটি টাকা।

রিজেন্ট এয়ারওয়েজের সকল প্রকার কার্যক্রমই বন্ধ রয়েছে। কোম্পানিটির সকল কর্মীকে তিন মাসের অবৈতনিক ছুটিতে পাঠানো হয়েছিলো যা সম্প্রতি সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। শুধু মহামারি পূর্ববর্তী সময়ে বিক্রি হওয়া টিকেটের অর্থ ফেরত দেয়ার জন্য অল্প কিছু কর্মী কাজ করছেন। কোম্পানিটি ভবিষ্যৎ কার্যক্রম সম্পর্কে তাদের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে কোন মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

বিদেশ থেকে আটকপড়া বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনছে ইউএস-বাংলা (ফাইল ছবি)
বিদেশ থেকে আটকপড়া বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনছে ইউএস-বাংলা (ফাইল ছবি)

বিপাকে এভিয়েশন খাতের কর্মীরাও
ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট এসোসিয়েশন আয়াটা সম্প্রতি এক প্রতিবেদনে বলেছে যে বাংলাদেশে এয়ারলাইন্স-সহ এভিয়েশন খাতের সাথে নানাভাবে জড়িত ৬৩ হাজার কর্মীর চাকরি ঝুঁকিতে রয়েছে।

বাংলাদেশে এখনো পর্যন্ত কোন এয়ারলাইন্স কর্মী ছাঁটাই না হলেও রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিমান কোম্পানি বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মীদের বেতন বিভিন্ন হারে কমিয়ে দিয়েছে।

বিমান শ্রমিক লীগ বলছে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিং-এর সাথে জড়িতদের বেতন কমানো হয়েছে ১৫ শতাংশ আর কর্মকর্তা পর্যায়ে কাটা হয়েছে ২০ শতাংশ। লীগের সভাপতি মশিকুর রহমান বলছেন, বিমান বাংলাদেশই দেশের একমাত্র সরকারি প্রতিষ্ঠান যারা কর্মীদের বেতন কমিয়েছে।

তিনি বলছেন, “শ্রমিকদের মধ্যে একটা ক্ষোভ তৈরি হয়েছে যে আর কোন সরকারি প্রতিষ্ঠান বেতন কাটেনি। সরকার তাহলে আমাদের দায়িত্ব নিলো না। আমরা লিখিতভাবে সরকারের কাছে প্রশ্ন তুলেছি যে বিমান সরকারের মালিকানাধীন কোম্পানি। সরকারতো আর দেউলিয়া হয়ে যায়নি। সেখানে ছয়মাসও কেন আমাদের চালাতে পারলো না?”

যাত্রীরাও বিমান যাত্রা এড়িয়ে যাচ্ছেন
মার্চের ২৬ তারিখ থেকে বন্ধ থাকার পর জুনের মাঝামাঝি সময়ে বাংলাদেশ থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পুনরায় চালু হলেও বিশ্বের বেশিরভাগ দেশে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ রয়েছে।

যেসব বিমানবন্দর চালু হয়েছে সেখানে স্বাস্থ্যবিধির কড়াকড়ির কারণে বাংলাদেশ থেকে ফ্লাইট পরিচালনা করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। অন্যদিকে পয়লা জুন থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চালু হলেও কোন এয়ারলাইন্সই যাত্রী পাচ্ছে না।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা্
হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ব্যবস্থা্

তাই প্রতিনিয়ত অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বাতিল হচ্ছে। যাত্রীরা খুব বড় ধরনের প্রয়োজন ছাড়া বিমান যাত্রা থেকে বিরত থাকছেন। ঢাকার আয়েশা মজুমদার নিয়মিত আকাশপথে যাতায়াত করতেন।

তিনি বলছিলেন কেন তিনি বিমানে ভ্রমণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তিনি বলছেন, “প্রধান কারণ আমরা যেভাবে তথ্য লুকাচ্ছি। কোভিড পজিটিভ হলেও বলছি নেগেটিভ। করোনাভাইরাস চীনের উহানে উৎপত্তি হলেও এটা ছড়িয়েছে কিন্তু বিমান যাত্রার কারণে। কে কী বহন করছে আমরা কিন্তু জানি না।”

“বিমান যাত্রাটা হল খামে ভরে পার্সেল পাঠানোর মতো। একটা বন্ধ যায়গায় বসে ৩০ বা ৪০ জনের সাথে যাচ্ছি। নির্দিষ্ট একটা সময় পর্যন্ত দরজা জানালা সবকিছু বন্ধ অবস্থায়। আমরা সবাই একসাথে বন্দি হয়ে আছি। সবার নিশ্বাস এক যায়গায় পড়ছে। একটা ভয় ধরে গেছে।”

আয়াটার আর একটি হিসেব বলছে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে বাংলাদেশে গত বছরের তুলনায় এই বছর বিমান যাত্রীর সংখ্যা গড়ে ৪৯ শতাংশ কম হবে।

বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বলছে এবছরের শুরু থেকে মার্চের মাঝামাঝি পর্যন্ত দেশে বিমান যাত্রী এসেছে প্রায় আট লাখের মতো কিন্তু এর পর থেকে জুনে বিমান চলাচল পুনরায় চালুর আগ পর্যন্ত মোটে ৩৪ হাজার যাত্রী এসেছে।

বাংলাদেশ থেকে বিদেশে যাওয়া বিমান যাত্রীদের অর্ধেকই অভিবাসী শ্রমিক। তাদের কাজ ঝুঁকিতে থাকায় একটা বড় অংশের যাত্রীই এখন নেই।

করোনাকালে স্বাস্থ্যে সুরক্ষা নিশ্চিত করে পরিচালিত হচ্ছে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট
করোনাকালে স্বাস্থ্যে সুরক্ষা নিশ্চিত করে পরিচালিত হচ্ছে ইউএস-বাংলার ফ্লাইট

টিকে থাকার চেষ্টা
টিকে থাকতে টিকেটে মূল্যহ্রাস সহ নানা পদ্ধতি অবলম্বন করার চেষ্টা করছে কোম্পানিগুলো। কোন ফ্লাইটে টিকিট বিক্রি কম হলে সেদিন যাত্রীদের যেকোনো একটি কোম্পানি বহন করবে, এমন চুক্তি করেছে বিমান বাংলাদেশ ও নভো এয়ার।

যাত্রী চলাচল না থাকলেও খরচ ঠিকই রয়েছে এয়ারলাইন্স কোম্পানিগুলোর। ফ্লাইট পরিচালনা ও বিমানবন্দরে পার্কিং সহ নানা ফি ঠিকই দিতে হচ্ছে।

ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের মহাব্যবস্থাপক মো:কামরুল ইসলাম বলছিলেন, “বেসরকারি কোম্পানিগুলো সরকারের কাছে বিভিন্ন ফি মওকুফের অনুরোধ জানিয়েছে। আমরা চাচ্ছিলাম আমাদের যে অ্যরোনটিকাল, নন-অ্যরোনটিকাল চার্জেসগুলো আছে যেমন ল্যান্ডিং, পার্কিং, নিরাপত্তা, ন্যাভিগেশন এসবের চার্জগুলো যেন আগামী পাঁচ বছরের জন্য মওকুফ করা হয় বর্তমান অবস্থা থেকে পরিত্রাণের একটা সুযোগ করে দেয়া।”

“আর একটা বিষয় হল ফুয়েল কস্ট। বাংলাদেশে শুধু একটা কোম্পানির কাছ থেকে আমরা এটা কিনতে পারি। তাদের একটা মনোপলি আছে। জেট ফুয়েলের বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দামে ডিফারেন্স আছে। সেটা যেন একটা যৌক্তিক পর্যায়ে আসে। একটা এয়ারলাইন্সের অপারেশন কস্টের ৪০ শতাংশই হল জ্বালানি খরচ।”

বাংলাদেশের জন্য বিভিন্ন দেশে বাড়তি কড়াকড়ি
বাংলাদেশ থেকে যাওয়া বিমানের ক্ষেত্রে অনেক দেশ বাড়তি কড়াকড়ি আরোপ করেছে। কোভিড ১৯ আক্রান্ত রোগী সহ গুয়াংঝো যাওয়ায় সপ্তাহখানেকের জন্য ইউএস বাংলার ফ্লাইট বন্ধ করে দিয়েছিল চীনা কর্তৃপক্ষ।

বাংলাদেশে কোভিড-১৯ টেস্টের ফল নেগেটিভ হলেও বিদেশে যাওয়ার পর সেই ফল পজিটিভ হয়েছে এমন ঘটনা ঘটার পর সম্প্রতি কয়েকটি দেশ বাংলাদেশ থেকে বিমান চলাচলের উপর সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে।

এভিয়েশন বিশেষজ্ঞ কাজী ওয়াহিদুল আলম বলছেন, “কোভিড ১৯ পরীক্ষা নিয়ে একটা ভুল বার্তা গেছে। এর ফলে যে নেতিবাচক ইমেজ তৈরি হয়েছে তা পরিবর্তন না করতে পারলে বাংলাদেশের এয়ারলাইন্সগুলো আরও বড় বিপদে পড়বে। আমাদের দূতাবাসগুলোর উচিৎ প্রচার প্রচারণা চালানো যে আমরা এটা পরিবর্তন করবো। আমাদের সম্পর্কে যে ধারনা তৈরি হয়েছে তা থেকে বিশ্ববাসীকে ফিরিয়ে আনতে হবে।”

সরকারের পক্ষ থেকে কি সহায়তা দেয়া হচ্ছে?
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে ক্ষতি পুষিয়ে উঠতে রাষ্ট্রীয় কোম্পানি বিমান বাংলাদেশ সরকারের কাছ থেকে সহজ শর্তে এক হাজার কোটি টাকার ঋণ সুবিধা পেয়েছে।

যার সুদের একটি অংশ সরকার দেবে। ইতিমধ্যেই কিছু ঋণ নিয়েছে কোম্পানিটি। বেসরকারি কোম্পানিগুলোকেও সাড়ে চার শতাংশ সুদে ঋণ সুবিধা দেয়া হবে। তবে এই ঋণ এক বছরের মধ্যে পরিশোধ করত হবে। বিশ্বব্যাপী বিপাকে পড়া বিমান কোম্পানিগুলোকে সংকট থেকে উত্তরণে তাদের সরকার নানা ধরনের বেইল আউট প্যাকেজ ঘোষণা দিয়েছে। বাংলাদেশের সরকার কি ভাবছে?

জিজ্ঞেস করেছিলাম বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: মহিবুল হকের কাছে। তিনি বলছেন, “বেসরকারিদের জন্যেও ঋণ সুবিধা দেয়া হলেও এখনো কেউ আবেদন করেনি। আপাতত আমরা ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত তাদের কাছ থেকে নন-অ্যরোনটিকাল চার্জ নেবো না। আর অ্যরোনটিকাল চার্জও আমরা উল্লেখযোগ্য হারে কমিয়ে দেবো।”

তিনি আরও বলছেন, “তারা পাঁচ বছরের জন্য মওকুফ চাইতে পারে কিন্তু বাংলাদেশ বিমানসহ যত কোম্পানি আছে, সিভিল এভিয়েশন তাদের কাছে শত শত কোটি টাকা পায়। এটা কোভিড মহামারি শুরুর আগের কথা বলছি। মহামারি শুরুর পর থেকে তারা সুবিধা পাবে কিন্তু তার আগের যে বকেয়াগুলো আছে সেগুলো যদি তারা আমাদের পরিশোধ করে তাহলে আমরা সারচার্জ মওকুফ করা যায় কিনা সেই উদ্যোগ নেবো।”

তার মানে দীর্ঘ মেয়াদে সহায়তা পেতে হলে, মি. হকের দেয়া তথ্য অনুযায়ী আগে সবাইকে বকেয়া ১৫শ কোটি টাকা পরিশোধ করতে হবে। এয়ারলাইন্সগুলো বলছে যার সামর্থ্য এই মুহূর্তে তাদের নেই। এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রির অনেকের আশঙ্কা মহামারির ধাক্কায় দেশিয় এয়ারলাইন্স দু-একটি বন্ধ হয়ে যাবে কিনা।

শাহনাজ পারভীন,বিবিসি বাংলা,ঢাকা

করোনাময় বিশ্ব : কেমন আছেন ইতালিপ্রবাসী বাংলাদেশিরা

করোনাময় বিশ্ব : কেমন আছেন ইতালিপ্রবাসী বাংলাদেশিরা১৩ জুলাই, সোমবার – ইতালি সময় : সন্ধ্যা ৭ টা , বাংলাদেশ সময় : রাত ১১ টা সঞ্চালনায় : আহমেদ তোফায়েল, সাংবাদিক ও উপস্থাপকঅতিথি:এম এ রব মিন্টু, রাজনীতিবিদসরদার লুৎফুর রহমান, রাজনীতিবিদপলাশ রহমান, প্রবাসী সাংবাদিক, কলামিস্ট

Posted by AkashJatra on Monday, July 13, 2020

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

Loading...