করোনাকালের পরিষেবায় সবাইকে ছাপিয়ে গেছে কাতার এয়ারওয়েজ : আয়াটা

0

ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশনের (আয়াটা) তথ্যমতে, বিশ্বের প্রথম সারির বিমানসংস্থা কাতার এয়ারওয়েজ এই করোনা মহামারি সময়ে আন্তরিক সেবা দিয়ে বহু যাত্রীকে নিরাপদে এবং নির্ঝঞ্জাটে নিজ দেশে পৌঁছে দিয়েছে। সংস্থাটি গেল এপ্রিলে ১.৩ বিলিয়ন রেভিন্যূ প্যাসেঞ্জার কিলোমিটার বা আরপিকে (RPK) রেকর্ড করেছে যা বৈশ্বিক এভিয়েশন বাজারের ১৭.৮ শতাংশ। এই আরপিকে তাদের নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী থেকে তিনগুণ বেশি যা সারিতে থাকা পরের চারটি বিমান সংস্থার মোট আপরিকের চাইতেও বেশি।

কাতার এয়ারওয়েজ এই খাতে ৯০০ মিলিয়ন কার্গো টন কিলোমিটার (সিটিকে) রেকর্ড করেছে যা বৈশ্বিক কার্গো বাজারের ৭.২ শতাংশ। এই বিপুল সেবা দিয়ে তারা এভিয়েশনের কার্গো খাতেও নেতৃত্ব দিয়েছে আর চিকিৎসা ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী নানা আক্রান্ত দেশে পৌঁছে দিয়ে বৈশ্বিক বাণিজ্য ও পরিবহনকেও চলমান রেখেছে।

আগের খবর : বিশ্বের সবচেয়ে বৃহৎ বিমানসংস্থা এখন কাতার এয়ারওয়েজ!

কোভিড-১৯ মহামারীতে বৈশ্বিক বিমান পরিবহন শিল্পের অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লেও কাতারের রাষ্ট্রীয় এই বিমানসংস্থা মানুষকে তাদের বাড়ি পৌঁছে দিয়ে তাদের মৌলিক লক্ষ্যে অবিচল থেকেছে।

কাতার এয়ারওয়েজ
কাতার এয়ারওয়েজ

গাল্প টাইমস প্রতিবেদনে বলা হয়, কাতার এয়ারওয়েজ করোনা সংকটে প্রায় ৫০ মিলিয়ন কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে ১৫,০০০ ফ্লাইটে ১.৮ মিলিয়ন যাত্রীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর কাজ করে বিশ্বের বৃহত্তম বিমান সংস্থায় পরিণত হয়েছে। এছাড়াও বিমান সংস্থাটি নানা দেশের সরকার এবং বিশ্বের বিভিন্ন কোম্পানির সাথে যৌথভাবে কাজ করেছে এবং ২২০টিরও বেশি চার্টার এবং অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।

এই অনিশ্চিত সময়ে তারা নিরাপদে এবং নির্ঝঞ্জাটে যাত্রীদের বহন করে এক নজির স্থাপন করেছে। কাতার এয়ারওয়েজ গ্রুপের প্রধান নির্বাহী এইচ ই আকবর আল বেকার বলেন, “আমি আয়াটার এই স্বাধীন পরিসংখ্যানকে স্বাগত জানাই যা স্পষ্টভাবে এই সংকটে আমাদের সংস্থার সেবা দেয়ার মানসিকতাকে তুলে ধরেছে এবং যাত্রীদের তাদের প্রিয়জনের সাথে মিলিত হওয়ার সুযোগ করে দেয়ার বিষয়টি তাদের প্রতি আমাদের অঙ্গীকারকে তুলে ধরেছে। এই সংকটে আমরা আমাদের সেবাগ্রহীতাদের যখন যেখানে কার্গো সেবা প্রয়োজন হয়েছে সেখানে তা পৌঁছে দিয়েছি।

আগের খবর : কাতার এয়ারওয়েজের টিকিটের মেয়াদ থাকবে দুই বছর

তিনি যোগ করেন, একটি অভূতপূর্ব চ্যালেঞ্জের জন্য একটি অভূতপূর্ব সাড়াও প্রয়োজন যা আটকে পড়া যাত্রীদের প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে কাতার এয়ারওয়েজ প্রমাণ করেছে। এই মিশনে আমাদের আপরিকে সারিতে থাকা চারটি এয়ারলাইন্সের চেয়েও বহুগুণ রেকর্ড হয়েছে যা আধুনিক এভিয়েশণনে বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

আগের খবর : বিশ্বব্যাপী এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মীকে ফ্রি টিকিট দিবে কাতার এয়ারওয়েজ

বেকার আরও বলেন, “এটা কোন আশ্চর্যের বিষয় নয় যে কেন অন্য যে কোন বিমান সংস্থার তুলনায় মানুষ আমাদের উপর নির্ভর করছে। যেখানে অনেক এয়ারলাইন্স তাদের কার্যক্রম স্থগিত করেছে, আমরা সেখানে একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছি। আমরা কখনও ৩০টি গন্তব্যের নিচে ফ্লাইট কার্যক্রম পরিচালনা করিনি এবং এখন আমরা আবার ৪০টিরও বেশি গন্তব্যে ১৭০টিরও বেশি সাপ্তাহিক ফ্লাইট চালু করেছি। ”

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

Loading...