ওমানে হাজি রহমানের মেজবানের মনকাড়া গল্প

0

মেজবান। যাকে আমরা ‘মেজ্জান’ বলে থাকি। এর দাওয়াত কানে বাজলেই পানি এসে যায় জিভে। গরুর মাংস আর নলা কাজির ঘ্রাণে উতলা হয় মন। চট্টগ্রাম অঞ্চলের ঐতিহ্যবাহী এ ভোজন-সংস্কৃতি যে দেশের সীমানা পেরিয়ে প্রবাসে বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে যথেষ্ট প্রচার-প্রসার লাভ করেছে বলে শুনতে পাই। কিন্তু স্বাদ নেয়ার সুযোগটা হয়নি কখনও; প্রবাস যাতায়াত যখন নিয়মিত।

ওমানপ্রবাসী বাংলাদেশি প্রকৌশলী আশরাফুর রহমান সিআইপি আমাকে যখন সেহরীতে মেজবানের দাওয়াত দিলেন। লজ্জা-শরম দূরে ঠেলে একবাক্যে রাজি হয়ে গেলাম। লজ্জা এ কারণে, আগের রাতেই রাজধানী মাস্কাটের প্রসিদ্ধ এক তুর্কি রেস্তোরাঁয় তারই সৌজন্যে সেরেছিলাম সেহরী, আমার প্রিয় কাবাব-রুটি দিয়ে। ঢেকুর ফুরাবার আগেই ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আবারও দাওয়াত। নেয়াটা সুন্দর দেখায় না। কিন্তু মেজবান বলে কথা। উপেক্ষা করি কিভাবে? তার ওপর প্রবাসে আয়োজন, তাও সেহরীতে। দেশে সেহরীতে মেজবান হয়েছে বলেও কখনও শুনিনি। সুযোগটা হারালাম না। দাওয়াতি হয়ে গেলাম ভিন্নমাত্রার এই মেজবানের। দুই বছর আগের রমজানে দূর পরবাসে মেজবানের স্বাদ নেয়ার সেই গল্পটাই তুলে ধরছি।

প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী প্রকৌশলী আশরাফ ওমান প্রবাসে প্রায় ৩০ বছর। ভারত থেকে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে লেখাপড়া শেষে ২০০৫ থেকে আছেন স্টিল কন্সট্রাকসন ব্যবসায়। পেয়েছেন পৈত্রিক সূত্রে। বাবা মোহাম্মদুর রহমানও ছিলেন ওমানপ্রবাসী প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী। ছেলেদের হাতে ছেড়ে দিয়ে দেশে ফিরে এখন অবসর জীবনে। বাবার ব্যবসা অনেকদূর এগিয়ে নিয়েছেন আশরাফ। দেশে সর্বাধিক রেমিট্যান্স পাঠিয়ে পেয়েছেন প্রবাসী সিআইপির মর্যাদাও।

মেজবানের প্রস্তুতি
মেজবানের প্রস্তুতি

আয়োজনটা মাস্কাটের ওয়াদী কবীর পোড়া কমপাউন্ড এলাকায় প্রকৌশলী আশরাফের কারখানা প্রাঙ্গণে। জেনেছিলাম এক গরুর মেজবান। ৮০০ জনের ছোট আয়োজন। দুপুরে গরু জবাইয়ের পর বিকেল থেকে শুরু হবে রান্না। আমরা জানি, মেজবানের রান্নার বিশেষ কেরামতি আছে। আলাদা দীক্ষিত বাবুর্চি আছে, লাগে বিশেষ ধরনের মসলা আর পিতল বা স্টিলের বড় ডেকচি। প্রবাসে এ সবের যোগান হল কিভাবে? তাই ইচ্ছা ছিল প্রস্তুতি দেখার,কড়া রোদ আর রোযায় শক্তি কুলায়নি। তাই সিদ্ধান্ত নিলাম রাতে আগেভাগে যাবার।

ফারসি শব্দ মেজবান-এর অর্থ নিমন্ত্রণকর্তা। এই মেজবানের বর্তমান নিমন্ত্রণকর্তা ও আয়োজক আশরাফুর রহমান নিজেই। জানলাম, ১৬ বছর ধরে এই মেজবান আয়োজন করা হচ্ছে। উপলক্ষটা দাদার মৃত্যুবার্ষিকী। শবে কদরের রাতেই দেশে মারা গিয়েছিলেন দাদা। সেই থেকে প্রবাসে মেজবান আয়োজন করছেন তাঁর বাবা। পারিবারিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় এখন করে যাচ্ছেন আশরাফ। দাওয়াতি আশপাশের কম আয়ের প্রবাসী আর পাশের মসজিদের মুসল্লীরা। সঙ্গে ঐহিত্যের সাক্ষী হতে ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজন ও পরিচিতজনরা।

এর পেছনে গর্ব করার মত অন্যরকম গল্পও আছে। মূলত মেজবান শুরু করা হয়েছিল দাদার মৃত্যুর আরও আগে। ওমানপ্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রথম সারির একজন আশরাফের বাবা মোহাম্মদুর রহমান। গিয়েছিলেন ১৯৭৪ সালে। আত্মীয়স্বজন আর নিজ এলাকার অনেক মানুষকে প্রবাসে এনে স্বাবলম্বীও করেছেন। হাজি রহমান নামে বেশি পরিচিত প্রবাসীদের কাছে। তাঁর উদ্যোগে মাস্কাটে বাংলাদেশির প্রথম মসজিদটি হয়েছিল ওয়াদী কবীর এলাকাতেই। আর এই মসজিদকে ঘিরেই ৮০ দশকের মাঝামাঝি থেকে ওমানে মেজবান সংস্কৃতিটাও শুরু হয়েছিল হাজি রহমানের হাত ধরেই। ঈদে মিলাদুনবী (সা.) উপলক্ষে ১২ রবিউল আউয়াল মসজিদ প্রাঙ্গনে এই মেজবানের আয়োজন করা হয়, যা আজও চলছে।

পরবর্তীতে যুক্ত হওয়া হাজী রহমান সাহেবের পারিবারিক এই আয়োজনেও প্রবাসী বিশেষ করে এলাকার কম আয়ের মানুষদের জন্য বড় আর্কষণ হয়ে দাঁড়ায়। বেশিরভাগই শ্রমিক শ্রেণির এসব প্রবাসীর পরিবার থাকে দেশে থাকায় নিজেদেরই রান্না করে খেতে হয়। রাতভর মবে কদরের নামাজে ব্যস্ত থেকে সেহরী রান্না অনেকটা কষ্টকর হয়ে পড়ে। সেহরী রাতে আয়োজিত হাজী রহমানের এই মেজবানে দূর করেছে তাদের সেই কষ্ট।

পুরানো স্মৃতি:  হাজি রহমান (উপরে)। মেজবান প্রস্তুতি আনন্দে দুই ছেলে আরফাতুর রহমান ও আরিফুর রহমান (নিচে)
পুরানো স্মৃতি: হাজি রহমান (উপরে)। মেজবান প্রস্তুতি আনন্দে দুই ছেলে আরফাতুর রহমান ও আরিফুর রহমান (নিচে)

রাত সোয়া একটায় হামিরিয়া এলাকা থেকে রওনা হলাম। দেড়টার দিকে পৌঁছলাম সেখানে। নিঝুম রাতের নীরব ও শান্ত পরিবেশ। সড়ক আর বাড়িঘরে নিরাপত্তা বাতিতে। তখনও দাওয়াতিদের আসা শুরু হয়নি। প্রধান দরজা দিয়ে ভেতরে ঢুকে দেখি এলাহী কারবার। একেবারে দেশের মতই। রান্না শেষ। খাবারের বড় বড় ডেকচি সাজিয়ে রাখা হয়েছে। বড় একটা চামচ দিয়ে ডেকসিতে নাড়ান দিচ্ছেন বাবুর্চি! তদারকিতে ব্যস্ত নিমন্ত্রণকর্তা স্বয়ং আশরাফ। আমাদের স্বাগত জানালেন হাসিমুখে।

দেখলাম আদি ঐতিহ্য অনুযায়ী মাটিতে চাদর বিছিয়েই আয়োজন করা হয়েছে খাবারের। আশরাফ বল্লেন, ‘চেয়ার-টেবিলের ব্যবস্থা করা যায়, কিন্তু আমরা আদি ঐতিহ্যটা অনুসরণ করছি। মাটিতে বসে খাওয়ার মজাটাই আলাদা।’ মাটির শানকিতে কি খাওয়া হবে? না শানকির জায়গায় ককশিটের ওয়ান টাইম থালা। আরবে মাটির শানকির জোগাড় কষ্টকর।

গরুর মাংসই মেজবানের মূল আকর্ষণ। ডেকসির কাছে যেতে ঘ্রাণে চির চির করে উঠল পেট। ইচ্ছা জাগলো আগাম পরখের। চাওয়ার সাথে সাথে এক পেয়ালা গরুর মাংস চলে আসে হাতে। চামচ দিয়ে মুখে নিতেই পেলাম সেই চিরাচরিত অতুলনীয় স্বাদ। কোন অংশে কম নয়, আমাদের অহংকার রশিদ, আবুল, জামাল বাবুর্চির রান্নার চেয়ে।

আমরা জানি, মেজবানের রান্নার রয়েছে আলাদা বিশেষত্ব। মূল পদ গরুর মাংস রান্নার ধরনও আলাদা। এই কাজে দক্ষ বাবুর্চিরা আছেন শুধু চট্টগ্রামেই। বংশপরম্পরায় তাঁরা এই ঐতিহ্যের ধারা অব্যাহত রেখেছেন। প্রবাসে তো তারা অনুপস্থিত। তাহলে এমন আসল স্বাদের রান্না করলেন কে? প্রশ্ন জাগা স্বাভাবিক।

বাবুর্চির পরিচয় জানতে গিয়ে ভিরমি গেলাম। পেশাদার কোন বাবুর্চি নন, সৌখিন রাঁধুনী। যিনি আয়োজক পরিবারেরই আরেক কর্তা। আশরাফের ছোট চাচা হাসমত উর রহমান। শখের বশে এই চর্চা; হাত পাকিয়েছেন মেজবানীতে। বড় ভাই হাজী রহমানের হাত ধরে প্রবাসে এসেছেন ১৬ বছর বয়সে। আছেন ৩৭ বছর। আলাদা ব্যবসা করেন। প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী হয়েও প্রবাসে পরিবারের মেজবানী রান্নার কঠিন দায়িত্ব পালন করছেন শুরু থেকেই। পেশাদার না হয়েও করছেন কিভাবে? হেসে জানালেন হাসমত চাচা “দেশে আমাদের বড় পরিবারে সারা বছরই নানা উপলক্ষে মেজবান হয়ে থাকে। সে সবের তদারকি করতে করতেই শেখা হয়ে গেছে। গরুর মাংস, নলা, সব রান্নাই পারি। চাঁটগাইয়্যা ঐতিহ্যের এই রান্না করতে অনেক ভালো লাগে আমার।” শ্রদ্ধায় মাথা নুয়ে গেল আমার।

হাটহাজারীর শুকনা লাল মরিচ না দিলে তো মেজবানি মাংসের এমন স্বাদ আসে না। প্রবাসে সেই মরিচ কিভাবে পাওয়া গেল? চাচা জানালেন, গুড়ো মরিচসহ দেশের প্রাণ মশাল্লা দিয়ে রান্না করা হয়েছে। ওমানে বাজারে পাওয়া যায় সব। শুনে মনটা ভরে গেলো, প্রবাসে দেশীয় পণ্যেরও রমরমা বাজার।

এরই ফাঁকে শুরু হয়ে গেল খাবার পরিবেশনের প্রস্তুতি। খাবার তালিকায় আছে সাদা ভাত, গরুর মাংস, নলা কাজি (গরুর পায়ের হাঁড়ের ঝোল) ও লাউয়ের তরকারি। পরিমাণমত ভাত আর মাংস বাসনে বেড়ে টেবিলে সাজানো শুরু করল স্বেচ্ছাসেবকরা। এরা সবাই আশরাফ উর রহমানের প্রতিষ্ঠানের কর্মী। দাওয়াতিরা আসা শুরু করল। কেউ একা আবার অনেকে দলবদ্ধ হয়ে ভেতরে ঢুকছে। দেখলাম, মেজবানের চিরাচরিত রীতি অনুযায়ী দরজায় দাঁড়িয়ে নিমন্ত্রণকর্তা আশরাফ হাসিমুখে সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছেন।

আড়াইটায় শুরু হল খাওয়ার পর্ব। দুই সারিতে একসাথে ৫০ জন। গরীব-ধনী, মালিক-শ্রমিক সবাই একসাথে বসেছেন; নেই কোন ভেদাভেদ। এটাই চট্টগ্রামের মেজবানের বড় সৌন্দর্য। পরিবেশকারীরা বাটিতে পানি নিয়ে এলেন। হাত ধুয়ে নিলেন সবাই। এরপর তুলে দেয়া হল খাবারভরা বাসন। খাওয়া শুরু হতেই একজন স্টিলের বালতি থেকে নলা কাজি, আরেকজন লাউয়ের তরকারি পর্যায়ক্রমে তুলে দিতে থাকেন দাওয়াতিদের পাতে। আয়েশ করে প্রাণভরে খাচ্ছে সবাই। পাতের খাবার শেষ হতেই আবার দেয়া হল ভাত-মাংস। সাথে চাহিদা অনুযায়ী নলা কাজি-লাউ। কোন কার্পণ্য নেই। খাবার বিশেষ করে গরুর মাংসের উদার পরিবেশনই চট্টগ্রামের মেজবানের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি।

প্রবাসে চট্টগ্রামের ঐহিত্যের সাক্ষী হতে প্রকৌশলী আশরাফের পরিচিতজনদের সঙ্গে লেখক
প্রবাসে চট্টগ্রামের ঐহিত্যের সাক্ষী হতে প্রকৌশলী আশরাফের পরিচিতজনদের সঙ্গে লেখক

এরই মধ্যে অপেক্ষমানের ভিড়ও বড় হয়েছে। প্রথম দফার দাওয়াতিরা উঠতেই হুড়মুড় করে বসতে শুরু করল পরবর্তী দাওয়াতিরা। শুরু হল আরেক আরেক দফা খাবারপর্ব। আগের নিয়মেই শেষ হল এই দফা। এরপর একের এক চলছে খাবার পর্ব। আমি এক ফাঁকে চলে গেলাম গেটের বাইরে। উদ্দেশ্য অনুভূতি জানা। অনুভূতির সাথে পরিচয় জানতে গিয়ে আবারও অবাক হলাম। শুধু বাংলাদেশিরাই নন পাকিস্তান, ভারতসহ অন্যদেশের অনেক প্রবাসী দাওয়াতি হয়েছেন।

নির্মাণশ্রমিক পাকিস্তানের আমজাদ ও সেলিম জানালেন, গত ৪ বছর ধরে তারা এই মেজবানে শরীক হচ্ছেন। প্রবাসী বাংলাদেশির এমন উদ্যোগে তারা মুগ্ধ। আর চট্টগ্রামের মেজবানীর স্বাদ নাকি অতুলনীয়। এই আয়োজনের জন্য শবেকদরের রাতের রান্না বান্নার কষ্টটা থেকে মুক্ত থেকে ইবাদতে মগ্ন থাকতে পারায় কৃতজ্ঞতা জানান ভারতের আহমেদাবাদের আমির হোসেন। এর মধ্যেই পরিচয় হল আরেক দাওয়াতি প্রবাসী বাংলাদেশি বশর সরকারের সাথে। ২৫ বছর আগে আশরাফের বাবা হাজী রহমানের হাত ধরেই ওমানপ্রবাসী হয়েছেন তিনি। তাঁর কাছ থেকেই জানতে পারলাম ওমানে হাজী রহমানের চট্টগ্রামের মেজবানী সংস্কৃতি চালুর সেই গর্ব করার মত ইতিহাসের আদ্যপ্রান্ত। তিনি বললেন, ‘ঐতিহ্যে পালনের সঙ্গে এই মহতী আয়োজনের জন্য প্রবাসীদের কাছে স্মরণীয় হয়ে থাকবেন হাজি রহমান সাহেব এবং তার উত্তরসুরীরা।’

আমাদেরও বাইরের চত্বরে মাটিতে বসে খেতে বসার কথা ছিল। কিন্তু সেহরীর শেষ সময় কাছাকাছি হওয়াতে আশরাফ নিজ অফিসের মেঝেতে ব্যবস্থা করলেন দ্রুত। ডাক পড়ল আমাদের। তখনও খাবার আসেনি। আড্ডায় মেতে উঠলাম। যোগ দিলেন রাউজানের মোহাম্মদ ইয়াছিন চৌধুরী সিআইপি, মোহাম্মদ মোরশেদ, বাবলু চৌধুরী ও আবদুল করিম, ফটিকছড়ির নাছির মাহমুদ, বাচ্চু ও রহিম উল্লাহ, হাটহাজারীর আজিজ মোহাম্মদ, রফিকুল আলম মিয়া, জাফর ইকবাল ও সেলিম নুর, রাঙ্গুনিয়ার সেকান্দার হোসেন, জুয়েল ওয়াহেদ ও শাহাদাত হোসেনসহ আরো অনেকে। এদের বেশিরভাগই ওমানে ব্যবসা বাণিজ্যে প্রতিষ্ঠিত। মেজবান যখন সার্বজনীন তাই দাওয়াতি হয়েছেন আশরাফের এই ঘনিষ্ঠজনরা।

তাদের কথায় ওঠে এলো প্রবাসে এই মেজবান আয়োজনের নানা দিক। তারা জানালেন, এখানে আসলেই চট্টগ্রামকে খুঁজে পাই। ঐতিহ্যের স্বাদ পাই। তাই এই আয়োজনটা কখনও উপেক্ষা করা যায় নি। মোহাম্ম্দ মোরশেদ বল্লেন, ‘হাজি রহমান চাচার এই মেজবান ওমানপ্রবাসে চট্টগ্রামের ঐতিহ্য জাগিয়ে রেখেছে। যা নিয়ে আমরা অবশ্যই গর্ব করতে পারি।’ ঐহিত্য লালন ছাড়াও কম আয়ের প্রবাসীদের জন্য এমন আয়োজন দৃষ্টান্তমূলক, বললেন নাছির মাহমুদ।

রাত সাড়ে ৩টার দিকে আমাদের খাওয়ার পালা শুরু হল। মাংসের স্বাদ তো আগেই পেয়েছিলাম, তার সাথে এবার নলা কাজি আর লাউয়ের তরকারি। খেয়ে তৃপ্তির ঢেকুর তুলতে তুলতেই কানে ভেসে আসলো সুমধুর কন্ঠের ফজরের আজানের ধ্বনি।

লেখক : প্রধান সম্পাদক,আকাশযাত্রা

ভিডিও দেখুন :

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।