ওমানে বিমানবন্দর প্রস্তুত হলেও ফ্লাইট চালুতে বিলম্বিত হবে

0

ওমানে করোনা পরিস্থিতিতে বিমানবন্দরগুলো স্বাস্থ্য সুরক্ষা অনুসরনে প্রস্তুত হলেও বাণিজ্যিক ফ্লাইট চলাচল আরো বিলম্বিত হবে, এমনটিই জানিয়েছেন দেশটির পরিবহনমন্ত্রী ।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সুপ্রিম কমিটির সভা শেষে পরিবহনমন্ত্রী ড. আহমেদ বিন মোহাম্মদ আল ফুতাইসি সংবাদিকদের জানান, দেশটির পর্যটন প্রদেশ দোফার এবং শিল্পাঞ্চল ডুকুমে লকডাউন জারি হওয়ায় অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচল বিলম্বিত করা হবে।

ওমান অবজারভারের প্রতিবেদনে বলা হয়, করোনাভাইরাস সংক্রামণ বেড়ে যাওয়ায় এই দুটি অঞ্চলে আগামী শনিবার থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা করেছে সুপ্রিম কমিটি।

পরিবহনমন্ত্রী বলেন, সুপ্রিম কমিটি এভিয়েশন খাত খুলে দেয়ার বিষয়টি বেশ সাবধানতার সাথে যাচাই করছে। মহামারির সর্বশেষ অবস্থা বিবেচনা করে বিষয়টি নিয়ে পরিকল্পনা নেয়া হবে ।

ফুতাইসি আরও বলেন, ফ্লাইট এবং বিমানবন্দর পরিচালনার জন্য সকল প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া এবং প্রোটোকল সম্পন্ন হয়েছে এবং এভিয়েশন খাত নিয়ে সমন্বিত পরিকল্পনা করতে বিভিন্ন দেশ আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

তিনি বলেন, “শুধু সালতানাতের ক্ষেত্রে নয় বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর ব্যাপারে এখনও সতর্কতা জারি রয়েছে, এবং এমনকি অঞ্চলভিত্তিক দেশগুলোতেও কোন নিয়মিত ফ্লাইট চলাচল করছে না আর এখন অধিকাংশ ফ্লাইটের শিডিউল অনির্ধারিত। ”

আরো বলেন, “বিভিন্ন দেশ এখনো তাদের আকাশ সীমানা বন্ধ রেখেছে আর তাই আন্তর্জাতিক পুনরায় চালুর সিদ্ধান্ত এখনো সুপ্রিম কমিটির আলোচনার মধ্যে রয়েছে। ”

পরিবহন মন্ত্রী জানান, তাৎক্ষণিক কোন সিদ্ধান্ত নিয়ে পরে তা পাল্টানোর পরিবর্তে পরিস্থিতির রদবদলের উপর ভিত্তি করে পরিকল্পনা করাটা এখন জরুরী।

মন্ত্রী ঘোষণা আগেই দিয়ে রেখেছিলেন যে, প্রথমে আভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চলাচল শুরু হবে এবং এরপর আন্তর্জাতিক রুট খুলে দেওয়া হবে।

বর্তমানে কার্গো ফ্লাইটের পাশাপাশি বিদেশে আটকেপড়া নাগরিক এবং প্রবাসীদের দেশে প্রত্যাবর্তনের বিশেষ ফ্লাইট সীমিত পরিসরে চলাচল করছে ।

করোনা পরিস্থিতিতে গত একমাসে ওমান থেকে দেশে ফিরতে ইচ্ছুক প্রবাসীদের জন্য ভারত ও পাকিস্তানে একাধিক ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়। তবে বাংলাদেশিদের জন্য এমন কোন উদ্যোগ এখনও নেওয়া হয়নি। এ নিয়ে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ রয়েছে।

অন্যদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সাথে সীমান্ত খুলে দেয়ার ব্যাপারে পরিবহন মন্ত্রী জানান, স্থল সীমান্ত চালুতে দুই দেশের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন। তবে যাদের বা যেসব নাগরিকদের সীমান্তে চলাচল করাটা জরুরি তাদের জন্য সুযোগ রাখা হয়েছে, তাদের জন্য সীমান্ত পারাপারে আবেদনের প্রক্রিয়া রাখা হয়েছে এবং সমন্বয় অব্যাহত আছে। তবে শিগগিরি যাতে সীমানা পুরোপুরি খোলা যায় তা নিয়ে আলোচনাও চলছে।

আগের খবর
ওমানে ‘আউটপাস’ নিয়ে গুজব না ছড়াতে বাংলাদেশ দূতাবাসের বিজ্ঞপ্তি

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

Loading...