ইতালিতে নতুন রাষ্ট্রদূতের পদক্ষেপে প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বস্তি

0

ইতালির রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসে কনস্যুলেট সেবার মান বৃদ্ধিসহ সার্বিক কার্যক্রমে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। বিশেষ করে পাসপোর্ট সংক্রান্ত সমস্যা অনেকাংশে সমাধান হয়ে গেছে। ছুটির দিনেও প্রবাসীদের সেবা অব্যাহত রেখেছে। দূতাবাসের সেবার মান বৃদ্ধিতে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। নেপথ্যে কারিগর দেশটিতে নিযুক্ত বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রদূত শামীম আহসান।

এমন সেবা পেয়ে আনন্দিত প্রবাসী বাংলাদেশিরা নতুন রাষ্ট্রদূত শামীম আহসানের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছেন, যখন তার উদ্যোগেই সেবার মান বৃদ্ধিসহ সার্বিক কার্যক্রমে যুগান্তকারী পরিবর্তনটা এসেছে। অথচ মাত্র কয়েক মাসে আগেও দূতাবাসের সেবা নিয়ে প্রবাসীদের মুখে নানা সমালোচনা ও অনিয়মের কথা শোনা যেত। নানা নেতিবাচক মন্তব্যে ভরা ছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।

এ ব্যাপারে ইতালি আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এমএ রব মিন্টু বলেন, বর্তমান রাষ্ট্রদূত একজন পেশাদার কূটনৈতিক। তাই তার হাতের জাদুতেই দূতাবাসের কনস্যুলটে সেবা সত্যিকার রূপ পেয়েছে।

“অতীতে কিছু অসাধু কর্মচারীর যোগসাজশে যে দুর্নীতি-অনিয়ম হয়েছিল রোম দূতাবাসে, নতুন রাষ্ট্রদূত আসার পর সব কিছুর পরিবর্তন দেখতে পাচ্ছি। দূতাবাসের সুনাম ফিরিয়ে আনতে প্রবাসীদের সমস্যা নিরসনে অনেক উদ্যোগ হাতে নিয়েছেন রাষ্ট্রদূত”, যোগ করেন এমএ রব মিন্টু।

এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় জাসদের আন্তর্জাতিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আনিসুজ্জামান আনিস বলেন, নতুন রাষ্ট্রদূতের আগমনে সেবার মানের কিছুটা পরিবর্তন লক্ষণীয়। পর্যটন ব্যবসায়ী ও ইতালি প্রবাস কথার ইনচার্জ এমকে রহমান লিটন বলেন, নতুন রাষ্ট্রদূত এসেই প্রবাসীদের সমস্যার কথা মাথায় রেখে নিরলসভাবে সেবার মান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছেন। শনি-রোববার ছুটির দিনেও পাসপোর্ট বিতরণ করা হচ্ছে।

বিসিএস ১১তম ব্যাচের পেশাদার কূটনৈতিক শামীম আহসান ১৯৯৩ সালের এপ্রিলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন। ২০১৪ সালের এপ্রিলে নিউইয়র্কের কনসাল জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে তিনি ওয়াশিংটন ডিসি, রোম, নাইরোবি, দোহা ও কুয়েতসহ বিভিন্ন দেশের শহরে বাংলাদেশ মিশনে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০০৪ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত রোমের বাংলাদেশ দূতাবাসে সুনামের সাথে কাউন্সেলরের দায়িত্ব পালন করেন।

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন