আমিরাতের ২৬ প্রবাসী বাংলাদেশির ‘সিআইপি’ মর্যাদা অর্জন

0
Travelion – Mobile

বাংলাদেশের জাতীয় অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সংযুক্ত আরব আমিরাতের ২ জন নারীসহ ২৬ জন প্রবাসী এনআরবি সিআইপির (বাণিজ্যিক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি) মর্যাদা অর্জন করেছেন।

গত বুধবার প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২০১৯ সালের জন্য তিনটি আলাদা ক্যাটাগরিতে সারাবিশ্বে থেকে নির্বাচিত ৫৭ জন এনআরবি সিআইপির তালিকা প্রকাশ করা হয়।

এর মধ্যে বাংলাদেশে বৈধ চ্যানেলে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা প্রেরণকারী ক্যাটাগরিতে ৪৭ জন, বিদেশে বাংলাদেশি পণ্যের আমদানিকারক ক্যাটাগরিতে ৯ জন এবং বাংলাদেশে শিল্পক্ষেত্রে সরাসরি বিনিয়োগকারী ক্যাটাগরিতে ১ জন প্রবাসী বাংলাদেশি সিআইপির মর্যাদা পেয়েছেন।

সারা বিশ্বের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেই সর্বোচ্চ সংখ্যক সিআইপি নির্বাচিত হয়েছে। এরপরে দ্বিতীয়স্থানে রয়েছে প্রতিবেশী দেশ ওমানের প্রবাসী বাংলাদেশিরা।

আমিরাত থেকে ‘বাংলাদেশে বৈধ চ্যানেলে সর্বাধিক মুদ্রা প্রেরণকারী’ ক্যাটাগরিতে সিআইপি হয়েছেন-মোহাম্মদ মাহতাবুর রহমান, মোহাম্মদ মাহাবুব আলম, ওমর ফারুক, মোহাম্মদ মনির হোসেন, সাইফুল ইসলাম, ফখরুল ইসলাম, আবুল কালাম, রিপন দত্ত, আবদুল হালিম, ইব্রাহিম ওসমান আফলাতুন, মোহাম্মদ আশফাকুর রহমান, মোহাম্মদ সেলিম, মোহাম্মদ আইয়ুব আলী বাবুল, আবদুল গণি চৌধুরী, মোরশেদুল ইসলাম, মো. ইউনুছ মিয়া চৌধুরী, মোসাম্মৎ জেসমিন আক্তার, নিগার সুলতানা, মোহাম্মদ আবু জাফর চৌধুরী, মতিউর রহমান, মো. ফরিদ আহমেদ, মো. ইজাজ হোসেন, মোহাম্মদ এহসানুর রহমান ও খোরশেদ আলম। এছাড়া বিদেশে বাংলাদেশি পণ্যের আমদানিকারক ক্যাটাগরিতে সিআইপি নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ ওয়াহিদুল ইসলাম ও মোহাম্মদ সেলিম।

amar lab – mobile

আগামী ১৮ ডিসেম্বর ঢাকায় আন্তর্জাতিক অভিবাসী দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি কিংবা ভার্চুয়ালি উপস্থিতিতে নির্বাচিত প্রবাসী সিআইপিদের সনদ প্রদান করার কথা রয়েছে।

দুই বছরের জন্য নির্বাচিত এনআরবি সিআইপিদের সুবিধাগুলোর মধ্যে রয়েছে—সরকারের দেওয়া পরিচয়পত্র দিয়ে সচিবালয়ে প্রবেশ, সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সরকারী বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী কমিটিতে সদস্য হওয়ার যোগ্যতা, দেশে-বিদেশে উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে অগ্রাধিকার, জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলোতে বিদেশে বাংলাদেশ মিশনের অনুষ্ঠানে অতিথি এবং বাংলাদেশে উপস্থিত থাকলে বিভিন্ন জাতীয় অনুষ্ঠান এবং সিটি কর্পোরেশন কর্তৃক নাগরিক সংবর্ধনায় আমন্ত্রণ পাবেন।

এ ছাড়া এনআরবি সিআইপিরা বিমান, রেল, সড়ক ও জলযানে আসন সংরক্ষণে অগ্রাধিকার পাবেন। বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ও স্পেশাল হ্যান্ডলিংয়ের সুবিধা পাবেন। সিআইপিদের স্ত্রী, ছেলে, মেয়ে ও নিজের চিকিৎসার জন্য সরকারি হাসপাতালে কেবিন সুবিধা পাওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন।

প্রবাসী সিআইপিরা বাংলাদেশে বিনিয়োগ করলে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মতোই সুযোগ-সুবিধাও পাবেন।

অনুভূতি জানাতে গিয়ে নির্বাচিত প্রবাসী সিআইপিরা বলেন, রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। তাই সম্মান আর গর্বের। বড় প্রাপ্তি এটাই। আর এই খেতাব সামাজিক ও বাণিজ্যিক মর্যাদার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না রেখে দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার অংশীদার আর প্রবাসীদের কল্যানে নিবেদিত হওয়ার বিষয়ে বেশি সচেষ্ট থাকবো

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন