আইটি পণ্য রপ্তানি ও বিদেশী বিনিয়োগ আনতে দূতাবাসগুলো কাজ করবে

ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় পররাষ্ট্র সচিব

0

বাংলাদেশের আইটি পণ্য বিশ্ববাজারে রপ্তানি এবং দেশে আইটি খাতে বিদেশী বিনিয়োগ আনতে দূতাবাসগুলো কাজ করবে। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হবে।

কোভিড-১৯ পরবর্তী বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের আইটি সেক্টরের চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনাসমূহ চিহ্নিতকল্পে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ‘আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি অনুবিভাগ’ এর উদ্যোগে “আইটি পণ্য ও আইটি সম্পর্কিত সেবার রপ্তানি বৃদ্ধিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ দূতাবাস সমূহের ভূমিকা” শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় এসব কথা বলেছেন পররাষ্ট্র সচিব (সিনিয়র সচিব) মাসুদ বিন মোমেন এসব কথা বলেন।

গত ২৭ ডিসেম্বর (রবিবার) আয়োজিত ভার্চুয়াল সভায় অংশগ্রহণ করেন আইটি সেক্টরের সাথে সম্পর্কিত সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূতগণ।

ভার্চুয়াল সভার শুরুতে বাংলাদেশ হাই-টেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (সচিব) হোসনে আরা বেগম, এনডিসি বাংলাদেশের আইটি সেক্টরের বিকাশে সরকার গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের বিষয় তুলে ধরেন এবং বিনিয়োগকারীদের জন্য প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন হাই-টেক পার্কের উপর একটি পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।

সভায় বাংলাদেশের আইটি পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধির এবং নতুন রপ্তানি বাজার সৃষ্টির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে আলোচকরা তাঁদের সুচিন্তিত মতামত তুলে ধরেন। আইটি সেক্টরের উদ্যোক্তারা বাংলাদেশের আইটি সেক্টরের সক্ষমতা উল্লেখ করে এই সেক্টরে সরকার গৃহীত লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহের সক্রিয় ভূমিকা কামনা করেন।

বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতগণ তাঁদের দায়িত্বপ্রাপ্ত দেশে বাংলাদেশের আইটি পণ্য রপ্তানি ও আইটি সেক্টরে বিদেশী বিনিয়োগ আনায়নে তাঁদের গৃহীত কার্যক্রমসমূহ তুলে ধরাসহ নানামুখী পরামর্শ প্রদান করেন।

পররাষ্ট্র সচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করে চলেছে এবং আইসিটি সেক্টরের এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে বিপুল ভূমিকা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন,বর্তমানে আইসিটি খাতে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি এবং সামনের দিনগুলোতে রোবোটিক্স, আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি), ৫জি ইত্যাদি বিষয় আইসিটি সেক্টরের অধিকাংশ জুড়ে থাকবে এবং এই বিষয়গুলোর প্রতি উদ্যোক্তাদের বেশি জোর দেওয়া উচিত।

তিনি আইটি কোম্পানির প্রতিনিধিবৃন্দকে আশ্বস্ত করেন যে, তাঁদের সুপারিশসমূহ বাস্তবায়নের জন্য বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করা হবে।

যখনই ঘটনা, তখনই আপডেট পেতে, গ্রাহক হয়ে যান এখনই!

আপনার মন্তব্য লিখুন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশিত হবে না।